News

আইসিসির সাবেক বিচারক নাভি পিল্লাইয়ের নোবেলজয়, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ওপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এর কয়েক ঘণ্টা আগে আইসিসির সাবেক বিচারক ও দক্ষিণ আফ্রিকার আইনজ্ঞ নাভি পিল্লাইয়ের এ বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয়ের ঘোষণা এসেছে। আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার ওপর রাজনৈতিক চাপের মধ্যে পিল্লাইকে পুরস্কার দেওয়ার বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে নোবেল কমিটি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এপির খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (৯ অক্টোবর) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞার এ ঘোষণা দেন। এ নিষেধাজ্ঞা ইউরোপীয়দের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আইসিসির উপপ্রধান প্রসিকিউটর নাজহাত শামীম খান মার্কিন নিষেধাজ্ঞার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এর উদ্দেশ্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আইনের শাসন এবং একটি স্বাধীন বিচারিক প্রতিষ্ঠানের কাজকে দুর্বল করা। তবে এ নিষেধাজ্ঞায় আদালতের তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া থামবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডসসহ আইসিসির সমর্থক দেশগুলো মার্কিন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে। ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানিগুলোকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব থেকে সুরক্ষা দিতে পালটা ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। ফলে আইসিসিকে ঘিরে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইউরোপের কূটনৈতিক বিরোধ আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

কী আছে নিষেধাজ্ঞায়

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষণায় রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আইসিসির সঙ্গে লেনদেন নিষিদ্ধ করবে এবং আদালতের সম্পদ ও কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা কমিয়ে দেবে। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র ও মার্কিন জনগণ আইসিসির এখতিয়ারের অধীন নয়।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আর্থিক সেবা, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও মার্কিন ডলারে লেনদেনের সুযোগ সীমিত হবে। আইসিসির সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে— এমন মার্কিন কোম্পানি ও ব্যক্তিদের সেই সম্পর্ক গুটিয়ে নেওয়ার জন্য প্রাথমিকভাবে ছয় মাস সময় দেওয়া হয়েছে। টেলিযোগাযোগ, সফটওয়্যার, পেনশন পরিশোধ এবং আটক ব্যক্তিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু লেনদেনের ক্ষেত্রে ছাড়ও রাখা হয়েছে।

রুবিও বলেছেন, আদালত ও এর সদস্যদেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ মোকাবিলার সুযোগ দিতেই নিষেধাজ্ঞার কাঠামো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে। ওয়াশিংটনের দাবি পূরণ না হলে ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হতে পারে।

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, আইসিসি মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে অন্যায্যভাবে বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগের চেষ্টা করছে এবং ইসরায়েলি নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে রাজনৈতিক পক্ষপাত দেখিয়েছে।

আইসিসি অবশ্য এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, আদালত আন্তর্জাতিক চুক্তির ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন বিচারিক প্রতিষ্ঠান। গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও আগ্রাসনের অপরাধের তদন্ত এবং বিচার করাই এর দায়িত্ব।

আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছিল ট্রাম্প প্রশাসন

নাভি পিল্লাইয়ের নোবেলজয়ের কয়েক ঘণ্টা পর ঘোষণা এলেও আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতির খবর আগেই প্রকাশিত হয়েছিল। এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন আইসিসির কয়েকজন বিচারক ও প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। এর মধ্যে গত ২০ সেপ্টেম্বর রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসন পুরো আদালতকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার পরিকল্পনা তৈরি করেছে।

এ বিষয়ে অবগত দুটি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ওয়াশিংটন শিগগিরই এ ঘোষণা দিতে পারে। প্রতিবেদনটি প্রকাশের ২০ দিনের মাথায় পুরো আইসিসির ওপরই নিষেধাজ্ঞা জারি করল ট্রাম্প প্রশাসন।

আইসিসিকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তির কেন্দ্রে রয়েছে দুটি বিষয়— আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের কথিত অপরাধ নিয়ে আইসিসির আগের তদন্ত এবং গাজা যুদ্ধের ঘটনায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।

২০২৪ সালের নভেম্বরে আইসিসি নেতানিয়াহু ও তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। আদালতের অভিযোগ ছিল, গাজা সংঘাতে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। ইসরায়েল এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র কখনো আইসিসির সদস্য হয়নি। ওয়াশিংটনের বক্তব্য, মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে আদালতের এমন এখতিয়ার গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে আইসিসির সদস্যদেশগুলো মনে করে, আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে আদালতের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ থাকা প্রয়োজন।

পিল্লাইয়ের নোবেলজয়ের সঙ্গে যোগসূত্র?

মার্কিন প্রশাসন আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির কয়েক ঘণ্টা আগে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। এ বছর মর্যাদাপূর্ণ এ পুরস্কার পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার আইনজ্ঞ নাভানেথেম ‘নাভি’ পিল্লাই। ২০০৩ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি আইসিসির আপিল বিভাগের বিচারক ছিলেন। এর আগে রুয়ান্ডার গণহত্যার বিচারেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে কাজ করেন।

পিল্লাইকে পুরস্কার দেওয়ার ক্ষেত্রে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি আন্তর্জাতিক আইন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তার অবদানকে গুরুত্ব দিয়েছে। কমিটির বক্তব্যে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধের জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা শান্তিপূর্ণ বিশ্বের পূর্বশর্ত।

কমিটি আরও বলেছে, আন্তর্জাতিক আইনের বিচারক ও প্রতিষ্ঠানগুলো যখন রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে, তখন এই পুরস্কারের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তবে কমিটি সরাসরি ট্রাম্প প্রশাসনের নাম উল্লেখ করেনি।

পিল্লাইয়ের নোবেলজয় ও আইসিসির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সময়গত নৈকট্য আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থা নিয়ে চলমান বিতর্ককে সামনে এনেছে। নোবেল পুরস্কার ঘোষণার প্রতিক্রিয়াতেই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে— এমনটি নিশ্চিত করে বলার সুযোগ নেই। বরং এর আগের বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে এটি স্পষ্ট, ট্রাম্প প্রশাসনের এই নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা আগে থেকেই চলছিল।

এসব কিছু বিবেবচনায় নিয়েও বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণ, পিল্লাইয়ের নোবেলজয়ের কয়েক ঘণ্টা পরই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়ে হয়তো মার্কিন প্রশাসন এমন ইঙ্গিত স্পষ্ট করেছে, আইসিসি সংশ্লিষ্ট কোনো অর্জনকে তারা ছাড় দেবে না।

নিষেধাজ্ঞার নিন্দা আইসিসির উপপ্রধান প্রসিকিউটরের

আইসিসির উপপ্রধান প্রসিকিউটর নাজহাত শামীম খান রয়টার্সকে বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আইনের শাসন এবং একটি স্বাধীন বিচারিক প্রতিষ্ঠান যে কাজ করছে, তা দুর্বল করা। কিন্তু আমাদের সব পরিস্থিতি, তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় কাজ অব্যাহত থাকবে।’

আইসিসি এক বিবৃতিতে মার্কিন পদক্ষেপকে ন্যায়বিচারের পথে বাধা তৈরি ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তির ওপর আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেছে। আইসিসি বলেছে, আদালতের কাজ ব্যাহত করা এবং এর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ভয় দেখানোই এ ব্যবস্থার লক্ষ্য।

আদালতের প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে জানিয়েছেন, আইসিসি স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে আইন ও প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ চালিয়ে যাবে। একই সঙ্গে আদালতের সদস্যদেশগুলোর প্রতি সমর্থন জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও নিষেধাজ্ঞার নিন্দা জানিয়েছেন। তার মুখপাত্রের মাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে বলা হয়, এ সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গুরুতর আঘাত।

ইউরোপের সঙ্গে বাড়ছে দূরত্ব

আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় মিত্ররা। ইউরোপীয় কমিশন বলেছে, মার্কিন সিদ্ধান্ত ‘গভীরভাবে দুঃখজনক’। যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত এবং বিচার অব্যাহত রাখতে আদালতকে সহায়তা করার পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে কার্যক্রম পরিচালনাকারীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত তারা।

আইসিসির সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী টম বেরেন্ডসেন বলেছেন, তার দেশ আদালতের পক্ষে অবস্থান নেবে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগে ছয় মাসের সময় থাকায় আলোচনার সুযোগও রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, ডেনমার্ক, কানাডা, জাপান ও নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যৌথ বিবৃতিতে মার্কিন সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত জানিয়েছেন। তাদের মতে, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে আদালতের কাজ, কর্মী ও তাদের পরিবারের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়তে পারে।

বেলজিয়াম ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘ব্লকিং স্ট্যাটিউট’ সক্রিয় করার আহ্বান জানিয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোকে নির্দিষ্ট বিদেশি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা থেকে বিরত রাখার সুযোগ রয়েছে, যেন ইউরোপীয় স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে। নেদারল্যান্ডসও ইউরোপীয় কমিশনের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করছে।

জার্মানির বিচারমন্ত্রী স্টেফানি হুবিগ বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নুরেমবার্গে নাৎসি নেতাদের বিচারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের ভিত্তি গঠনে যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। এখন সেই যুক্তরাষ্ট্রই আইসিসিকে দুর্বল করার পথে এগোচ্ছে, যা বিস্ময়কর।

অন্যদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তার বক্তব্য, আইসিসি একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান, যা সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর জন্য হুমকি।

সামনে কী

নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পরপরই আইসিসির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে না। ছয় মাসের প্রাথমিক সময়সীমা থাকায় আদালত ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে বিকল্প ব্যবস্থা তৈরির সুযোগ রয়েছে। এরই মধ্যে আদালত মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরতা কমাতে সফটওয়্যার, ব্যাংকিং ও স্বাস্থ্যবিমার বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ করেছে।

তবে মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থা ও প্রযুক্তি খাতের সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের গভীর সংযোগের কারণে নিষেধাজ্ঞার প্রভাব এড়ানো সহজ হবে না। ব্যাংক, বিমা প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো মার্কিন শাস্তিমূলক ব্যবস্থার ঝুঁকি এড়াতে আইসিসির সঙ্গে সম্পর্ক সীমিত করলে আদালতের দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় দেশগুলোর সমর্থন আদালতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব ঠেকাতে ইউরোপ কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

আইসিসিকে ঘিরে বিরোধটি তাই কেবল একটি আন্তর্জাতিক আদালতের কার্যক্রম নিয়ে নয়, এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের ব্যাখ্যা, মিত্রদেশগুলোর সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগ নিয়ে বড় প্রশ্নও যুক্ত হয়ে পড়েছে। নাভি পিল্লাইয়ের নোবেলজয় সেই বিতর্কের মধ্যেই আইনের শাসন ও জবাবদিহির গুরুত্বকে নতুন করে সামনে এনেছে।

source: Rajneete

Back to top button