News

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষকের গোপন তৎপরতা

শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে গোপন তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষক। পুরো বিষয়টি সমন্বয় করা হয় মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামে খোলা সিক্রেট গ্রুপের মাধ্যমে।

টেলিগ্রাম গ্রুপটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’। এটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামান। সাধারণ সম্পাদক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান।

গোপন কার্যক্রম পরিচালনার ওই গ্রুপের ২৮ পৃষ্ঠার স্ক্রিনশট এশিয়া পোস্টের হাতে এসেছে। সেখানে ৪০৪ জনের নাম শনাক্ত করা গেছে। এর মধ্যে অনেকের সাংকেতিক নাম ব্যবহার করা হয়েছে। এর বাইরে আরও ২১ জনের শুধু মোবাইল নম্বর রয়েছে।

গ্রুপের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, টেলিগ্রাম ও এর বাইরে বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে তারা নিয়মিত বিভিন্ন বৈঠকে মিলিত হচ্ছেন।

এমন একটি বৈঠক আহ্বানের স্ক্রিনশটে দেখা যায়, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবর রহমান কমিটির পক্ষ থেকে একটি বার্তা দিয়েছেন। সেখানে তিনি যা লিখেছেন, সেটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

‘শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষকমণ্ডলী,

আজ বিকেল ৩-৩০ মিনিটে সিস্টেম আপডেটের স্বার্থে এই গ্রুপের সংযুক্ত সকল শিক্ষক মতবিনিময় সভায় মিলিত হব। আপনাদের কিছু সময়ের জন্য সংযুক্ত হওয়ার বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।

জয় বাংলা

জয় বঙ্গবন্ধু

অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামান

সভাপতি ও

অধ্যাপক ড. মো: মাহবুবর রহমান

সাধারণ সম্পাদক।’

গ্রুপে জুলাই অভ্যুত্থানকেন্দ্রিক এবং এর বাইরে বিভিন্ন বিষয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষের নিউজ শেয়ার করা হয়। একটি স্ক্রিনশটে দেখা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মাহবুব লিটু অধিকারপত্র নামের একটি অনলাইনের নিউজ শেয়ার করেছেন। এটির শিরোনাম ছিল, ‘কলঙ্কের কালো অধ্যায়: ৫ আগস্টের পর যে আগুনে পুড়েছে বাংলার শ্রেণিকক্ষ-২০২৪ আগস্ট পরবর্তী শিক্ষক নিগ্রহকে উপজীব্য করে একটি বিস্তৃত বাংলা সংবাদধর্মী ফিচার।’

আরেকটি মেসেজে দেখা যায়, গ্রুপের সভাপতি অহিদুজ্জামান সভা আহ্বান করে একটি বার্তা দিয়েছেন। নিচে বার্তাটি তুলে ধরা হলো।

‘সুপ্রিয় সহকর্মীবৃন্দ,

শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন। আপনাদের সার্বিক সহযোগিতায় সিস্টেম আপডেট করে গত রাতে আমরা সফলভাবে ট্রায়াল শেষ করেছি।

আমাদের মাহেন্দ্রক্ষণ সন্নিকটে। সে লক্ষ্যে প্রোগ্রামের গাইডলাইনসহ অন্যান্য বিষয়াদি অবহিত করার স্বার্থে আজ বিকেল ৩:০০ মিনিটে কিছু সময়ের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ এক সভায় মিলিত হব। টেলিগ্রাম গ্রুপে সংযুক্ত সকল সম্মানিত শিক্ষককমণ্ডলীকে উক্ত সময়ে যুক্ত হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। সর্বোচ্চসংখ্যক উপস্থিতির প্রত্যাশায় আপনাদের আগামী ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

জয় বাংলা

জয় বঙ্গবন্ধু

অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামান

সভাপতি ও

অধ্যাপক ড. মো: মাহবুবর রহমান

সাধারণ সম্পাদক।’

গ্রুপে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রয়েছেন ৯২ জন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮ জন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪২ জন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন শিক্ষক রয়েছেন।

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১, শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষক রয়েছেন গ্রুপটিতে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ জন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষক রয়েছেন টেলিগ্রামে খোলা গ্রুপটিতে। এ ছাড়া আরও সাত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ শিক্ষক রয়েছেন।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের তিন নেতাও রয়েছেন এই গ্রুপে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯২ শিক্ষক

টেলিগ্রাম গ্রুপটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রয়েছেন ৯২ জন। তারা হলেন—জেড. এম. পারভেজ সাজ্জাদ, প্রফেসর ড. আজমল হোসেন ভূঁইয়া, প্রফেসর ড. মো. আসাদুজ্জামান, প্রফেসর ড. তাওহিদা রশীদ, ড. ইশরাত জাহান, প্রফেসর ড. জামিলা এ. চৌধুরী, ইমরুল কায়েস, জাকিয়া সুলতানা মুক্তা, প্রফেসর ড. আরিফ খান, জাকারিয়া বুলবুল, মো. আলমগীর হোসেন, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শফি উল্লাহ ভূঁইয়া, ইলিয়াস সানি, প্রফেসর ড. জেবুন্নেসা, এস এ মামুন, প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন, নাবিলা, চয়ন সিকদার, ড. ইসলাম, মাহমুদুর রহমান, এটিএম শামসুজ্জোহা, ড. জাহান শামস নিতোল, হিয়ামুল ইসলাম, এমপিএ (সাংকেতিক নাম), মোহাম্মদ শফি উল্লাহ, তানভীর রহমান, নাজিরউদ্দিন মোল্লা, ড. মন্দিরা চৌধুরী, প্রফেসর ড. মো. হাসিবুর রহমান, ড. এম এম চৌধুরী, হাসান আল ফিরোজ, ড. মনজুরুল আলম ভূঁইয়া, কাওসার আলম, ড. সোহরাব হোসেন, ড. বিদ্যুৎ, মানস সরকার, শিয়াও মো শিয়ান (সাংকেতিক নাম), প্রিন্সিপাল মুস্তাফিজুর রহমান মুক্তা, এস এম জাহাঙ্গীর আলম লিচু, রাকিব ইসলাম, নুরুজ্জামান খন্দকার, বি এম, সাইফুল ইসলাম, প্রিন্সিপাল শরীফ আহমেদ সাদী, প্রফেসর আনজুমান আরা, প্রফেসর ড. শক্তি চন্দ্র মন্ডল, ড. টিটু জোয়ার্দার, প্রফেসর ড. শাহ জহির রায়হান, প্রফেসর ড. গিয়াসউদ্দিন মিয়া, প্রফেসর ড. মাহবুব লিটু, মানস মজুমদার, ড. মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সজীব, প্রফেসর ড. এস এম আব্দুর রহমান, মেহেদী হাসান, প্রফেসর ড. রফিকুল ইসলাম, ডিলেটেড অ্যাকাউন্ট (সাংকেতিক নাম), বিমান বড়ুয়া, উদ্দিন এম নাসির, শাহাদাত সিদ্দিকী, আরিফুর রহমান, মিস মন্ডল, ড. মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন, মোহাম্মদ মহসিন, মো. হারুন মিয়া, এম এইচ ফারুক, শামসুন নাহার, হেলাল আহমেদ, প্রফেসর ড. মো. মুশফিকুর রহমান, মো. শেখ ফরিদ, ড. মো. নাজমুল হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, রতন কুমার পাল, নিবির মন্ডল, মোহাম্মদ তালুকদার, সৈয়দ ইসলাম, এমএই (সাংকেতিক নাম), ড. মো. নাজমুল ইসলাম, প্রফেসর ড. সুভাষ চন্দ্র দাস, আব্দুল আল মোহিত, প্রফেসর আহসান-উল আম্বিয়া, ড. মো. কামাল হোসেন, প্রফেসর সুব্রত সাহা, এমআইএ (সাংকেতিক নাম), মৌসুমী মৌ, খন্দকার তাকদীর আহমেদ, রাশেদ তালুকদার, প্রফেসর নাসিম হাসান, আশীষ মন্ডল, মো. হুমায়ুন কবির, ফরহাদ উদ্দিন, ড. মো. কামাল উদ্দিন ও মো. আক্তারুজ্জামান সিনবাদ।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮ জন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮ জন টেলিগ্রাম গ্রুপটির সদস্য। তারা হলেন—প্রফেসর ড. জি এম আল আমিন, ড. অমল কান্তি দেব, বেল্লাল আহমেদ অনিক, ফাজরিন হুদা, সালাম, প্রফেসর ড. আফ্রিনা মুস্তারী, প্রফেসর ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন, প্রফেসর ড. মো. আইনুল ইসলাম, প্রফেসর ড. মানিকুল ইসলাম, প্রফেসর আবুল হোসেন, জাকির সুমন, প্রফেসর ড. মো. হারুনুর রশীদ খান, কৌশিক আহমেদ, জয়নব বিনতে হোসেন, ইভা নন্দী, জনি আসাদুজ্জামান, প্রফেসর এ কে এম লুৎফর রহমান, ড. সুজন চৌধুরী, রশিদ আসকারী, ড. সাগর সরকার, মো. আক্তারুল ইসলাম, আরিফ খান, তরিকুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, মো. মাসুদ রানা, ড. মারুফ এইচ খান, প্রফেসর ড. মো. সিদ্দিকুর রহমান, শাহজাদা সেলিম, কেবিডি প্রফেসর ড. বাসেত, ড. কালিদাস ভক্ত, প্রফেসর ড. মো. শওকত জাহাঙ্গীর, এম এল পলাশ, আরিফা রুমা, সামিহা তাসনিম, আবুল ওবায়দা রাহিদ, গালিব, আজহার উদ্দিন ভূঁইয়া, মো. কামরুজ্জামান, মো. গোলাম কবীর, মো. আলাল উদ্দিন, কেএমএস (সাংকেতিক নাম), নাজির খান খোকন, তমাল্লুক, তামান্না, সুমন বিশ্বাস, আদ্রি (সাংকেতিক নাম), প্রফেসর ড. মোস্তফা কামাল, ঋতু রায়, মো. ওমর আলী মল্লিক, অধ্যাপক ড. আবু জাফর চৌধুরী রকু, ড. এম রহমান, ড. বাতেন চৌধুরী, রাকিবা নবী, এম হাবিবুর রহমান, মো. আরিফ হোসেন, মো. জিয়াউর রহমান ভূঁইয়া, জিল্লুর রহমান, মেহেদী, মামুন মাহতাব, মো. মামুন হোসেন, মো. আব্দুর রশিদ সরকার, বলরাম রায়, জৌর্জ তশাক, কল্যাণাংশু নাহা, সিলভিয়া খানম, কামরুন নাহার, চৈতি দে পূজা, বিপুল রায়, মো. রেজাউল আমিন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪২ জন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪২ জন শিক্ষক টেলিগ্রাম গ্রুপটির সদস্য। তারা হলেন—প্রফেসর লাইলা, প্রফেসর দিলীপ, প্রফেসর রানা, প্রফেসর মামুনুর রশীদ, প্রফেসর একরামুল্লাহ, প্রফেসর মুশতাক, প্রফেসর আশরাফুল, প্রফেসর আলী হায়দার, প্রফেসর অনিক, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর খালিদ বিন ফেরদৌস, প্রফেসর দুলাল, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর সাগর, প্রফেসর প্রভাব, প্রফেসর সারোয়ার জাহান, শামীম আলমগীর, প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান, প্রফেসর ড. পূর্ব ইসলাম, উদ্বয় কুমার মহন্ত, নাসরিন নদী, দুলাল, মশিউর রহমান, মোয়াজ্জেম হোসেন, প্রফেসর ড. বাবরুল আলম, প্রফেসর ড. শবনম জাহান, এ. জাহিদ, অর্ক, ড. মো. দুলাল হোসেন, কামরুজ্জামান, বসির আহাম্মদ, জেহাদ পারভেজ, আর ইসলাম, নাসিম বানু, প্রফেসর আক্তার, প্রফেসর ড. এ এফ এম আব্দুল মঈন, নিরুপম চৌধুরী, হাবিবুর রহমান পলাশ, মামুন মোর্শেদ, তানভীর হাসান, ড. নজরুল, প্রফেসর ড. মো. মাহবুবুর রহমান, দেবাশীষ আচার্য, তাসনিম।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ জন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ জন শিক্ষক টেলিগ্রাম গ্রুপটির সদস্য। তারা হলেন—কে এম শরফ উদ্দিন, শারমিন সুলতানা, প্রফেসর ড. আলমগীর কবির, সুব্রত সরকার, প্রফেসর ড. আসাদুজ্জামান মুন্না, দেওয়ান বদরুল হাসান তুষার, তুহিনুল হাসান, প্রফেসর ড. সেলিনা নাসরিন, ড. মো. মাহবুবুল ইসলাম, নাসিরুল হক, মো. শফিকুল ইসলাম খান, ড. আজরান আজমী, ড. শাহীন ইমরান, প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান, ড. মোবারক হোসেন, ড. মো. আব্দুল কাইয়ুম, আতিকুজ্জামান ফিলিপ, ডিলেটেড একাউন্ট (সাংকেতিক নাম), ঢাকা ডি, জয়, তপু রায়হান, এসজিপি (সাংকেতিক নাম), ড. সাখাওয়াত নয়ন, ড. মোল্লা হক, আকসাদুল আলম, মো. মজনুর রহমান, মো. মেনহাজুল ইসলাম, ইনজামাম মাহবুব মজুমদার, ড. তৌহিদুর রহমান, আরা ইসলামী, অঞ্জন কুমার রায়, প্রফেসর ড. ফারহানা, প্রফেসর মো. সাজ্জাদ হোসেন, মো. আল-আমিন, হাসান শাহরিয়ার, আলতাফ রাসেল, আফরোজা সাথী, এমএস হোসেন, সিদ্ধার্থ শংকর সাহা, এমএআর (সাংকেতিক নাম), এ কে (সাংকেতিক নাম), ড. মুশফিক মান্নান চৌধুরী, নাজমুল হাসান, প্রফেসর ড. মাহবুব শুভ।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮ জন

ড. এম. গোলাম মোস্তফা, মেহেরীন মুঞ্জারিন রত্না, মো. কামরুজ্জামান, কিউ কে আহমেদ, সাদিদ জাহান সৈকত, প্রফেসর ড. মো. ইকবাল মাহমুদ, প্রফেসর ড. এম খাদেমুল ইসলাম, মাহির অর্ক, প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেন, ভেট ড (সাংকেতিক). মো. খাইরুল ইসলাম, আব্দুল মালেক, এ কে এম কে হক, জাবিদ ইকবাল বাঙালি, এইচইএসএইচ (সাংকেতিক নাম), মোহাম্মদ ওমর ফারুক, কে. এম. আবদুস সোবহান, হাদী আহসান, সঞ্জয় মুখার্জি, কানামাছি (সাংকেতিক নাম) খান জি(সাংকেতিক), অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. মো. শাহনূর, মো. নুরুজ্জামান, অরুণ কুমার গোস্বামী, আবুল খায়ের মোহাম্মদ সালেক, মো. আলী ইমরান, ড. বিরু আবু জাফর চৌধুরী, পাই (সাংকেতিক নাম), রিজভী আবু নাসির, ড. মুজিব লেনিন পলাশ, মোহাম্মদ হোসেন, জহির আহমেদ, জহির উদ্দিন আহমেদ, সুমন কুমার বৈদ্য, ড. তাপস কুমার ভৌমিক, রেজওয়ানুল হক খান, শহিদুল আলম, জাহিদুল ইসলাম সানা, এআর (সাংকেতিক নাম) ড. এম. জাহিদুল ইসলাম।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯ জন

প্রফেসর ড. মো. মাসুদুর রহমান, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ শাহীন উ, প্রফেসর ড. এম ওয়াহিদুজ্জামান, প্রফেসর ড. কে.এম সাইফুল ইসলাম খান, প্রফেসর ড. মো. আখতার হোসেন চৌধুরী, মিলন কুমার ঘোষ, ড. সাহাবুদ্দিন আহমেদ, তুষার, রাফি সাঈদ, প্রফেসর এমকে হাসান, মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, জুলকার নাইন, মাহবুবুর রহমান, মো. আর ইসলাম, সজীব ৪৮, আসাদ জামান, প্রফেসর ড. শামসুল কবির যুক্তরাষ্ট্র (সাংকেতিক নাম), ড. জামিল তালুকদার, মামুন এনএস, ওয়ালিউর রহমান বিপুল, নুরুল ইসলাম মুজিব, ইকবাল হোসেন, হাসান মুহাম্মদ রোমান, মো. আমিনুল ইসলাম, মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, মো. (সাংকেতিক নাম), ড. এএমএম গোলাম আদম, প্রফেসর ড. মাহবুব হোসেন, ড. সিদ্ধার্থ দে।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ জন

প্রফেসর মো. জামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, ফারুক হোসেন, হাসানুল হক নিপুন, ড. কে. এম. তরিকুল ইসলাম, মুশফিক, ড. মুহাম্মদ আব্দুস সালাম, ড. পারভেজ, ড. মো. মাসুদ রানা, জাহিদ হাসান, প্রফেসর ড. মো. মনিরুল ইসলাম (সোহাগ), প্রফেসর ড. আহমেদ, প্রফেসর মিয়া।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন

ড. কাজী ওমর সিদ্দিকী, বাদশা মিয়া, মো. ইকরাবুল হক, ড. আবদুল্লাহ আল মাসুম, আলম (সাংকেতিক নাম), প্রফেসর ড. এম. এ. এ. মামুন, আইয়ুব আনসারী পিনু, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. মো. রাসেল, রাসূল আমিন, জি এম সাদিক হাসান, ড. হেলাল উদ্দিন।

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন

প্রফেসর ড. জাকির হোসেন, মো. আজিম উদ্দিন, মো. শহিদুল ইসলাম, ড. বাকী বিল্লাহ বকুল, মোহাম্মদ আলী, প্রফেসর ড. সুরাইয়া আক্তার, মশিউর রহমান, ফৌজিয়া খাতুন, প্রফেসর মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মানিক, রায়হান বিডি।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন

প্রফেসর ড. জামাল উদ্দিন আহ, রাকিবুল হাসান, মো. রাব্বি, শিমুল, ড. এম আর আই শেখ রকি, দেবাশীষ সাহা, ফারহান রাজীব, সঞ্জয় কুমার দে, লিপি কামরুন্নাহার লিপি, প্রফেসর ড. মনিরুজ্জামান শাহীন, প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী।

শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন

রুহুল আমিন, ড. মো. কামাল উদ্দিন, অর্ঘ্য প্রসুন সরকার, আলমগীর হোসেন, উজ্জ্বল ওয়ারিয়র্স, ড. জীনাত হুদা, মো. ওয়ালী আহাদ সেতু, ড. লিটন মিত্র, আফসানা মৌসুমী, আবু যারা শামসুর রউফ।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ জন

শ্যামল রঞ্জন চক্রবর্তী, প্রতীক, আব্দুল আউয়াল, প্রফেসর ড. মো. আমিনুল হক ভূঁইয়া, ড. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, প্রফেসর ড. হানিফ সিদ্দিকী, নাজনীন সরকার সুরভী, শ্যাম দত্ত, প্রফেসর আসাদ।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জন

প্রফেসর ড. সন্তোষ কুমার বোস, ড. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল, অলোক পল, শেখ রহমান, এমএসি (সাংকেতিক নাম), ড. মো. মাটিগুল ইসলাম।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ জন

আসাদ মন্ডল, ড. মশিউর রহমান, প্রফেসর ড. আয়েশা আক্তার আঁখি, প্রফেসর ড. মো. জাকির হোসেন, জেড উদ্দিন, দেবু পিকে (সাংকেতিক নাম), এসকে বি (সাংকেতিক নাম)। এর মধ্যে মশিউর রহমান জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার আসামি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ জন

রিয়াদ সিদ্দিকী প্রাণ, প্রফেসর ড. রেজওয়ানুল হক ককন, ড. শিল্পী সাহা, সিদ্ধার্থ শংকর সাহা, প্রফেসর ড. সুভাষ কান্তি দে।

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও ১২ জন

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া ও ইকবাল। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নূর মোহাম্মদ, ড. বিজয় কুমার পাল। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইয়াহিয়া খন্দকার। মেহেরপুর মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি রবিউল। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. পিন্টু চন্দ্র শিল, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো. আশিকুল আলম শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. অনিমেষ সরকার। এ ছাড়া স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের আহসান হাবীব, ড. আনজানা পারভীন, মো. সাজুও গ্রুপটির সদস্য।

প্রয়োজনে রাস্তায় নামব, জীবন দেব: এম অহিদুজ্জামান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক ড. ওয়াহিদুজ্জামান এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘এখানে শেখ হাসিনা বা কোনো রাজনৈতিক দলের বিষয় নয়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষকের সব ধরনের অধিকার খর্ব করে রাখা হয়েছে। আমাদের বয়কট করে রাখা হয়েছে, মানবাধিকার খর্ব করে রাখা হয়েছে, পজিশন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের শিক্ষকদের হয়রানি, মানহানি করা হচ্ছে। মূলত আমাদের সংগঠনটি হলো, আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শিক্ষক, প্রগতিশীলতা রক্ষা করি তাদের। আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই। আমাদের নিজেদের রক্ষা করতে চাই। এ লক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। সেখানে আমাদের নানা বিষয় আলাপ আলোচনা তো হতেই পারে। প্রয়োজন হলে আমরা আন্দোলন করব, রাস্তায় নামব, আমরা জীবন দেব। ইউনূস সরকার দুঃশাসন চালু করেছিল। আমরা ভেবেছিলাম বর্তমান সরকার তা থেকে বেরিয়ে আসবে। কিন্তু আমরা দেখছি বর্তমান সরকারও একই পথে হাঁটছে।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যপক ড. মাহবুবুর রহমান এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘আমি এই বিষয়ে এখন কোনো মন্তব্য করার অবস্থায় নেই। এখন বাইরে আছি। পরে আপনার সঙ্গে কথা হবে।’

source: Asia Post

Back to top button