News

চেয়ারে বসা নিয়ে রাবির দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) টিএসসিসিতে একটি অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসা নিয়ে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে রসায়ন বিভাগের অন্তত চার শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আবদুল লতিফ হলের পেছনে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে দুই বিভাগের একাডেমিক ভবনেও হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে তিনজন হলেন রসায়ন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মুন্সি মেসবাহ (২২), তৃতীয় বর্ষের মো. ফেরদৌস হোসেন (২৩) এবং প্রথম বর্ষের মো. সাজেদুল ইসলাম (২১)। অপর আহত শিক্ষার্থীর পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, টিএসসিসিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসা নিয়ে দুই বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথমে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও বিরোধের নিষ্পত্তি হয়নি।

এর কিছুক্ষণ পর নবাব আবদুল লতিফ হলের পেছনে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ওপর ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। এতে রসায়ন বিভাগের দুই শিক্ষার্থী আহত হন।

এ ঘটনার জেরে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনে গিয়ে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অংশে হামলা ও ভাঙচুর চালান বলে জানা গেছে। এ সময় ভবনটির দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা থেকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হলে রসায়ন বিভাগের আরও দুই শিক্ষার্থী আহত হন।

পরে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা রসায়ন বিভাগের একাডেমিক ভবন জাবির ইবনে হাইয়ান ভবনে পাল্টা হামলা ও ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আহত শিক্ষার্থীদের প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সংঘর্ষে রসায়ন বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাজ করছে।’

ঘটনার বিষয়ে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ও রসায়ন বিভাগের সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

source: Asia Post

Back to top button