শেখ হাসিনার বক্তব্যের দায় ভারত সরকার নেবে না: জয়সওয়াল

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্ভাব্য ভার্চুয়াল বক্তব্যকে ঘিরে তৈরি হওয়া আলোচনা প্রসঙ্গে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ভারত। নয়াদিল্লি বলেছে, শেখ হাসিনার অংশ নেওয়ার কথা থাকা অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই এবং সেখানে দেওয়া কোনো বক্তব্যের দায়ও সরকার নেবে না।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, আলোচিত অনুষ্ঠানটি একটি বেসরকারি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আয়োজন করা হচ্ছে। এতে সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ওই অনুষ্ঠানে যেকোনো ব্যক্তি যে মতামত প্রকাশ করবেন, তা ভারত সরকারের অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হবে না।
আগামী বুধবার (৫ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। ঢাকার আশঙ্কা, এ ধরনের বক্তব্য দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে উন্নত হওয়া দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
জানা গেছে, এ বিষয়টি সোমবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকেও আলোচনায় আসে।
সংবাদ সম্মেলনে রণধীর জয়সওয়াল আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পরই এ আমন্ত্রণ পাঠানো হয়।
তিনি বলেন, ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। বর্তমানে বাংলাদেশ বিমসটেকের সভাপতি হওয়ায় প্রচলিত রীতি অনুসারেই এ আমন্ত্রণ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এতে অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী।
ভারতের নয়াদিল্লিতে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিমসটেকের বর্তমান সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশকে আউটরিচ অধিবেশনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ২০২৭ সালে ঢাকায় বিমসটেকের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সংগঠনটির শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
source: Rajneete







