News

মুখোমুখি লুলা-ফ্লাভিও, ব্রাজিল ছাপিয়ে লাতিনের রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণের নির্বাচন

লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় দেশ ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটে মুখোমুখি হয়েছেন লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ও ফ্লাভিও বোলসোনারো। তীব্র মেরুকরণ, জীবনযাত্রার ব্যয়, অপরাধ, অ্যামাজন রেইনফরেস্ট, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বোলসোনারোর রাজনৈতিক উত্তরাধিকার— সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনকে শুধু ব্রাজিলের ক্ষমতার পালাবদল নয়, পুরো লাতিন আমেরিকার রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণের লড়াই হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে শুরু হয়েছে এই ভোট। এ নির্বাচনে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ১২— লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা, ফ্লাভিও বোলসোনারো, রোনালদো কাইয়াদো, রোমেউ জেমা, রেনান সান্তোস, অগাস্তো কুরি, রুই কোস্তা পিমেন্তা, সামারা মার্টিন্স, হার্তজ দিয়াস, এদমিলসন কোস্তা, উইলসন গ্রাসি ও ক্লারিয়ানা বারাঁও।

তবে এই ১২ জনের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মাত্র দুজন। তাদের মধ্যে ৮০ বছর বয়সী বামপন্থি প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা চতুর্থবারের মতো প্রেসিডেন্ট হওয়ার লড়াইয়ে নেমেছেন। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ৪৫ বছর বয়সী ডানপন্থি সিনেটর ফ্লাভিও বোলসোনারো, যিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বোলসোনারোর বড় ছেলে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র।

এ নির্বাচনে প্রথম দফার ভোটে জিততে হলে কোনো প্রার্থীকে বৈধ ভোটের ৫০ শতাংশের বেশি পেতে হবে। সর্বশেষ জরিপগুলোতে লুলা এগিয়ে থাকলেও তার ব্যবধান দ্রুত কমেছে। ৩ অক্টোবর প্রকাশিত সিএনটি/এমডিএ জরিপে বৈধ ভোটের হিসাবে লুলার সমর্থন ৪৭ দশমিক ৮ শতাংশ, ফ্লাভিওর ৪২ দশমিক ১ শতাংশ। অন্যদিকে কয়েকটি জরিপে ব্যবধান আরও কম। ফলে আজ কেউ ৫০ শতাংশের বেশি ভোট না পেলে ২৫ অক্টোবর হবে দ্বিতীয় দফার ভোট।

ফ্লাভিওর পুরো নির্বাচনি প্রচারের কেন্দ্রে ছিলেন তার বাবা জইর বোলসোনারো। ২০২২ সালের নির্বাচনে লুলার কাছে অল্প ব্যবধানে হেরে ক্ষমতা ছাড়ার পর জইর বোলসোনারো নির্বাচনের ফল উলটে দেওয়ার চেষ্টার মামলায় ২৭ বছরের সাজা পেয়েছেন এবং বর্তমানে গৃহবন্দি। ফ্লাভিও প্রকাশ্যেই বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে তিনি বাবাকে মুক্ত করার জন্য ক্ষমা বা অ্যামনেস্টির ব্যবস্থা করবেন।

সাবেক প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার সামনে রেখেই ফ্লাভিও প্রচার চালিয়েছেন। শেষ মুহূর্তের সমাবেশগুলোতে বাবার ছবি হাতে দেখা গেছে তাকে। তিনি নিজেও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রথম দফাতেই জয়ের দাবি করেছেন। তবে জনমত জরিপ বলছে, লড়াইটি দ্বিতীয় দফায় গড়ানোর সম্ভাবনাই বেশি।

ফ্লাভিওর প্রচারের বড় ইস্যু অপরাধ ও নিরাপত্তা। তিনি ব্রাজিলের প্রধান অপরাধী চক্রগুলোকে ‘নারকোটেররিস্ট’ সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করা, এল সালভাদরের আদলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার কারাগার নির্মাণ এবং সশস্ত্র অপরাধীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তার অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় সরকারি ব্যয় কমানো, অন্তত ১০টি মন্ত্রণালয় কমানো, নতুন ব্যয়-নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং বেসরকারীকরণ এগিয়ে নেওয়ার কথা রয়েছে।

ব্রাজিলের ভোটেও ট্রাম্পের ছায়া

এবারের ব্রাজিলের নির্বাচনে সরাসরি দৃশ্যমান আরেকটি চরিত্র ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফ্লাভিও ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থক এবং ক্ষমতায় গেলে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’ জোটে ব্রাজিলকে যুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। জোটটির লক্ষ্য লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে মাদক ও সংগঠিত অপরাধের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান চালানো।

ট্রাম্প প্রশাসনের মাদকবিরোধী সামরিক অভিযান নিয়ে লুলার সঙ্গে ফ্লাভিওর অবস্থানের বড় পার্থক্য এখানেই। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ও বিমান হামলায় এরই মধ্যে অঞ্চল জুড়ে বহু মানুষ নিহত হয়েছে। ফ্লাভিও এই জোটে যোগ দিয়ে কঠোর নিরাপত্তানীতি গ্রহণ করতে চান, লুলা এর বিপরীতে জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন তুলেছেন।

লুলা সম্প্রতি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ব্রাজিলের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগও তুলেছেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, কোনো বিদেশি শক্তিকে ব্রাজিলের জনগণের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে দেওয়া হবে না। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে শুল্ক ও অন্যান্য অর্থনৈতিক বিরোধও নির্বাচনী প্রচারণায় বড় ইস্যু হয়েছে।

ফলে নির্বাচনের ফল অনুযায়ী ওয়াশিংটন-ব্রাসিলিয়ার সম্পর্কও বড়ভাবে বদলে যেতে পারে। লুলা ক্ষমতায় থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দূরত্ব ও ব্রাজিলের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের নীতি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা থাকবে। ফ্লাভিও জিতলে ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে ব্রাজিলের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে পারে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে লুলা দা সিলভার মাথা। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ফ্লাভিও বোলসোনারোর নির্বাচনি মিছিলে এমন প্রতীকী প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করা হয়। ফ্লাভিওকে তার বাবার মতোই ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মনে করা হয়। ছবি: সংগৃহীত
ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে লুলা দা সিলভার মাথা। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ফ্লাভিও বোলসোনারোর নির্বাচনি মিছিলে এমন প্রতীকী প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করা হয়। ফ্লাভিওকে তার বাবার মতোই ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মনে করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়

লুলার পক্ষে সবচেয়ে বড় যুক্তি তার সরকারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাফল্য। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার কমেছে এবং কর্মসংস্থান জোরদার হয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলও বলছে, বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক ধাক্কার মধ্যেও ব্রাজিলের অর্থনীতি তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। ২০২৬ সালে দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রায় ২ দশমিক ৪ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

কিন্তু এসব সূচক ভোটারদের সব উদ্বেগ দূর করতে পারেনি। জীবনযাত্রার ব্যয়, মূল্যস্ফীতি, আয় ও বৈষম্য নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে। সেপ্টেম্বরের এক জরিপে এক-তৃতীয়াংশের বেশি ব্রাজিলীয় জানিয়েছেন, গত এক বছরে তাদের আয় বাড়েনি। আরও ২১ শতাংশ বলেছেন, আয় বাড়লেও তা জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিকে ছাড়াতে পারেনি।

ফ্লাভিও এই অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে সরকারি ব্যয় কমানো ও দ্রুত আর্থিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। লুলার শিবির বলছে, দ্রুত কৃচ্ছ্রসাধনের চাপ সাধারণ মানুষের ওপর পড়তে পারে এবং সামাজিক কর্মসূচি রক্ষায় ধীরে ও নিয়ন্ত্রিতভাবে আর্থিক সংস্কার করা প্রয়োজন। দুই প্রার্থীর অর্থনৈতিক পরিকল্পনার মূল পার্থক্য এখানেই।

নির্বাচনি প্রচারে ব্রাজিলের বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচনি প্রচারে ব্রাজিলের বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। ছবি: সংগৃহীত

আমাজনের ভবিষ্যৎও ব্যালটে

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত নির্বাচনগুলোর একটি। বিশ্বের সবচেয়ে বড় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বন আমাজনের প্রায় ৬০ শতাংশ ব্রাজিলে। ফলে নতুন সরকারের নীতি বৈশ্বিক জলবায়ু রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলবে।

লুলা ক্ষমতায় ফেরার পর আমাজনে বন উজাড় কমাতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে আমাজনে বন উজাড় এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে বলে সরকারি পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে। লুলা ২০৩০ সালের মধ্যে অবৈধ বন উজাড় শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েছেন।

ফ্লাভিওও ২০২৯ সালের মধ্যে অবৈধ বন উজাড় বন্ধ করার কথা বলেছেন। তবে তার পরিবেশনীতি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে পরিবেশবিদদের। কারণ তাার বাবা প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ব্রাজিল সরকারের পরিবেশনীতি নিয়ে সবসময়ই কঠোর সমালোচনা করে এসেছেন পরিবেশবিদরা। তারা আশঙ্কা করছেন, পরিবেশগত বিধিনিষেধ শিথিল হলে কৃষি, খনি ও অবকাঠামো প্রকল্পের জন্য আমাজনের ওপর চাপ বাড়তে পারে।

নির্বাচনি প্রচারে ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বোলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও বোলসোনারো। ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচনি প্রচারে ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বোলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও বোলসোনারো। ছবি: সংগৃহীত

শুধু প্রেসিডেন্ট নয়, কংগ্রেসও গুরুত্বপূর্ণ

আজকের ভোটে শুধু প্রেসিডেন্ট বেছে নেবেন না ব্রাজিলীয়রা, এর সঙ্গে ২৭টি রাজ্যের গভর্নর, ৫১৩ জন ফেডারেল ডেপুটি ও ৮১ সদস্যের সিনেটের ৫৪টি আসনেও ভোট হবে। ফলে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হচ্ছেন, তার পাশাপাশি কংগ্রেসের ক্ষমতার ভারসাম্যও নির্ধারিত হবে।

এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বর্তমানে ব্রাজিলের কংগ্রেসে রক্ষণশীল ও ডানঘেঁষা দলগুলোর প্রভাব শক্তিশালী। লুলা পুনর্নির্বাচিত হলেও যদি তার বিরোধীরা কংগ্রেসে শক্ত অবস্থান ধরে রাখে, তাহলে বাজেট, সংস্কার, সরকারি নিয়োগ এবং গুরুত্বপূর্ণ আইন পাসে তাকে রাজনৈতিক সমঝোতার ওপর আরও নির্ভর করতে হবে।

অন্যদিকে ফ্লাভিও প্রেসিডেন্ট হলে তার জন্যও কংগ্রেসের সমর্থন অপরিহার্য হবে। বিশেষ করে তিনি সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা সীমিত করা, অপরাধনীতি কঠোর করা ও প্রশাসনিক সংস্কারের মতো যেসব পরিবর্তনের কথা বলেছেন, সেগুলোর বাস্তবায়ন কংগ্রেসের ওপর অনেকটাই নির্ভর করবে। একই সঙ্গে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

সাও পাওলোতে লুলা দা সিলভার পক্ষে পতাকা হাতে এক তরুণী। ছবি: সংগৃহীত
সাও পাওলোতে লুলা দা সিলভার পক্ষে পতাকা হাতে এক তরুণী। ছবি: সংগৃহীত

লাতিন আমেরিকার জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ

ব্রাজিল এমন সময়ে ভোট দিচ্ছে, যখন লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে ডানপন্থি ও রক্ষণশীল শক্তির উত্থান স্পষ্ট। এই অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে বামপন্থি সরকার চাপের মুখে পড়েছে বা ডানপন্থিরা ক্ষমতায় এসেছে। ফলে লুলার পরাজয় হলে ব্রাজিলও সেই আঞ্চলিক ডানমুখী প্রবণতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠবে।

অন্যদিকে লুলা জয়ী হলে লাতিন আমেরিকায় ট্রাম্পের প্রভাবের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভারসাম্যগুলোর একটি বজায় থাকবে। বিশেষ করে মাদকবিরোধী সামরিক অভিযান, বাণিজ্য, জলবায়ু এবং আঞ্চলিক কূটনীতিতে ব্রাজিলের স্বাধীন অবস্থান অব্যাহত রাখার সুযোগ থাকবে।

এ কারণেই এ নির্বাচন শুধু একজন প্রেসিডেন্ট বেছে নেওয়ার ভোট নয়, বরং এটি নির্ধারণ করবে ব্রাজিল কি লুলার বামপন্থি সামাজিক ও পরিবেশনীতি এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে কৌশলগত দূরত্ব বজায় রাখবে, নাকি জইর বোলসোনারোর উত্তরাধিকার বহনকারী ফ্লাভিওর মাধ্যমে ট্রাম্পঘনিষ্ঠ রক্ষণশীল রাজনীতির দিকে আরও স্পষ্টভাবে ঝুঁকবে।

আজই হয়তো চূড়ান্ত উত্তর মিলবে না। সর্বশেষ জরিপে লুলা এগিয়ে থাকলেও ব্যবধান সংকুচিত এবং কেউই ৫০ শতাংশের কাছাকাছি নিশ্চিতভাবে পৌঁছাতে পারেননি। ফলে ২৫ অক্টোবরের সম্ভাব্য রানঅফেই ব্রাজিলের পরবর্তী রাজনৈতিক দিকনির্দেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

সূত্র: গার্ডিয়ান, রয়টার্স, এএফপি

source: Rajneete

Back to top button