৯ গোল হজমের পর বাংলাদেশের ঘাটতি নিয়ে ডুলির ব্যাখ্যা

ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ ব্যবধানের হারকে শুধু একটি বাজে ম্যাচ হিসেবে দেখছেন না টমাস ডুলি। বাংলাদেশের সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দলগুলোর ব্যবধান কেন এতটা, ম্যাচ শেষে তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন জাতীয় দলের কোচ। তার মতে, সমস্যা শুধু রক্ষণে নয়; নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ, অনুশীলনের মান এবং মাঠে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গাতেও পিছিয়ে বাংলাদেশ।
ফিফা আসিয়ান কাপে তিন ম্যাচের সবকটিতে হেরেছে বাংলাদেশ। মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ ও সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ ব্যবধানে হারের পর ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে এসেছে সবচেয়ে বড় ধাক্কা। তিন ম্যাচে বাংলাদেশের জালে গেছে ১৩ গোল, গোল করেছে দুটি।
ডুলি মনে করেন, দুই দলের মানের পার্থক্য র্যাঙ্কিংয়েও প্রতিফলিত হচ্ছে। তার ভাষায়, ‘আপনি যদি ১৮২ নম্বরে থাকেন আর তারা ১১৭, ১৩৫ কিংবা ১৪৯ নম্বরে থাকে, তাহলে বোঝাই যায় তারা বেশি ম্যাচ জিতে ওই জায়গায় এসেছে।’
ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বল ধরে রাখা এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গাতেই সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে বাংলাদেশ। ডুলি বলেন, ‘ফুটবলে সবকিছুই গতির সঙ্গে সম্পর্কিত; আপনি কত দ্রুত পরিস্থিতি বুঝছেন, সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, বল নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছেন বা পাস দিচ্ছেন। আপনার চেয়ে ভালো দলের বিপক্ষে খেললে এই পার্থক্যটা আরও স্পষ্ট হয়।’
এই ব্যবধান কমাতে সময় লাগবে বলেও মনে করেন বাংলাদেশ কোচ। তার কথায়, ‘উন্নতি রাতারাতি আসে না। দেখতে হবে কী ধরনের খেলোয়াড় আছে, তারা কীভাবে অনুশীলন করে এবং ম্যাচে কী ধরনের ভুল করছে।’
বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলের প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিয়েও আগেই প্রশ্ন তুলেছিলেন ডুলি। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর কিংবা ইন্দোনেশিয়ার মতো শক্তিশালী লিগ বাংলাদেশে নেই বলে মনে করেন তিনি। ফলে নিয়মিত উচ্চমানের ম্যাচ খেলে ভুল শুধরে নেওয়ার সুযোগও কম পান ফুটবলাররা।
ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধেই ছয় গোল হজম করে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ৯-২ ব্যবধানের হার দিয়ে আসিয়ান কাপ শেষ করেছে ডুলির দল। শাহরিয়ার ইমন ও ফারহান আলী ওয়াহিদ বাংলাদেশের দুটি গোল করেন।
source: Asia Post







