পুলিশে যুক্ত হচ্ছে নতুন ইউনিট, শাখা থাকবে যেসব এলাকায়

আগামী সপ্তাহে একটা আলাদা সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এ জন্য পুলিশ সদর দপ্তরে একজন অ্যাডিশনাল আইজিপির পোস্ট ক্রিয়েডেট না থাকলে আমরা ক্রিয়েট করব।
পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সব মেট্রো, ডিভিশন ও ডিস্ট্রিক্ট পর্যায়ে তার শাখা থাকবে। থানা ও জেলা পর্যায়ে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিটের আধুনকি যন্ত্রপাতি থাকবে। বড় আকারের ফরেনসিক ল্যাব ও যে সাপোর্ট দরকার, সেগুলো হেডকোয়ার্টার ও ডিভিশন পর্যায়ে থাকবে।
এই প্রকল্প প্রণয়নের জন্য তিনি কয়েক সপ্তাহ আগে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, যেগুলো জটিল হবে, সেগুলো কেন্দ্রে আসবে। যেগুলো থানা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে অ্যানালাইসিস করা সম্ভব, সেগুলো সেখানেই হবে।
পুলিশে নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা প্রয়োজনে ব্যাপক হারে সব ফোর্সের মাধ্যমে অফিসার এবং বিভিন্ন পদবিতে নিয়োগ দেব। এ মেসেজটা আপনারা বুঝে দেখেন। গণতান্ত্রিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে, জনআকাঙ্ক্ষার ওপর দাঁড়িয়ে, ব্যাপক জনপ্রত্যার ওপর দাঁড়িয়ে, দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটির ওপর দাঁড়িয়ে গঠিত সরকারের ভিত্তি অনেক শক্তিশালী বলেও মনে করিয়ে দেন তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে। সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় স্বতন্ত্র সাইবার ইউনিট চালু করা হচ্ছে। তবে প্রযুক্তি যতই আধুনিক হোক, পুলিশের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো মানুষের আস্থা অর্জন। জনগণের আস্থা ছাড়া কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে না।
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর পুলিশ অনেকটাই ঘুরে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই বাহিনীর দক্ষ ও নিষ্ঠাবান সদস্যরা পুলিশকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলবেন। বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন এবং কল্যাণের বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। পুলিশের প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি, সরঞ্জাম ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
source: Asia Post







