৮ নভেম্বর ‘শ্যামা পূজা’, কারা ছুটি কাটাতে পারবেন?

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ‘শ্যামা পূজা’ বা কালীপূজা রোববার (৮ নভেম্বর)। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন মা কালী বা শ্যামা মায়ের আরাধনা করে অনুসারীরা।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, দিনটি ঐচ্ছিক ছুটি হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে। এটি কোনো সাধারণ বা নির্বাহী আদেশের সরকারি ছুটি নয়, দিনটি স্বাভাবিক কার্যদিবস হিসেবেই গণ্য হবে।
ছুটির নিয়ম অনুযায়ী, কোনো সাধারণ সরকারি ছুটি না থাকলেও সংশ্লিষ্ট ধর্মাবলম্বী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে এ দিন ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করতে পারবেন। তবে দেশের সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক-বিমা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যথারীতি খোলা থাকবে।
২০২৬ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ৭ নভেম্বর শনিবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। পরদিন ৮ নভেম্বর সনাতন সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্যামাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগের দিন ৬ নভেম্বর, শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি ছিল। ফলে শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত টানা তিন দিন সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজ এবং সংশ্লিষ্ট কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকতে পারে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রেও একইভাবে ছুটির সুযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত ছুটির তালিকায় শ্যামাপূজার ছুটির উল্লেখ নেই। ফলে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য এ ছুটি কার্যকর হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রমনা কালীমন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ, সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির, সবুজবাগ থানাধীন শ্রী শ্রী বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির, পুরান ঢাকার রাধাগোবিন্দ জিঁও ঠাকুর মন্দির, পোস্তগোলা মহাশ্মশান, তাঁতী বাজার, শাখারী বাজার ও বাংলাবাজারসহ বিভিন্ন মণ্ডপ ও মন্দিরে শ্যামা পূজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
source: Asia Post







