ভেরিফিকেশনে চাকরিপ্রার্থীদের বাদ দেওয়ার প্রতিবাদ, নীতিমালার দাবি ছাত্রশিবিরের
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। একই সঙ্গে ভেরিফিকেশনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করে মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে প্রার্থী বাদ দেওয়া বন্ধের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এ প্রতিবাদ জানান।
যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবির নেতারা বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়েছিল। তবে ভেরিফিকেশন শেষে বিভিন্ন জেলার বহু প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি। ভুক্তভোগী প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষক প্রার্থীদের প্ল্যাটফর্মের তথ্য অনুযায়ী, ১২ শতাধিক প্রার্থীর নিয়োগপত্র না পাওয়ার অভিযোগ উঠে এসেছে। বাদ পড়া অনেক প্রার্থীর দাবি, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা বা অপরাধের রেকর্ড না থাকা সত্ত্বেও সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই বাদ দেওয়া হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ভেরিফিকেশনের নামে পরিবারের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাকে বিবেচনায় নিয়ে কোনো প্রার্থীকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে সুযোগের সমতা প্রতিটি নাগরিকের প্রাপ্য। সুস্পষ্ট কোনো কারণ ছাড়া শত শত মেধাবী তরুণের স্বপ্ন ভেঙে দেওয়া বৈষম্যবিরোধী জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী।
তারা আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিচার বিভাগ ও মাঠ প্রশাসনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের যে অভিযোগ উঠছে, তা একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার পথে বড় বাধা। সরকারি চাকরিতে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে অবিলম্বে সুনির্দিষ্ট ও জনসমক্ষে স্পষ্ট ভেরিফিকেশন নীতিমালা প্রণয়নের জোর দাবি জানান সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতারা।
source: Asia Post







