News

শাপলার শহীদদের রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি: আসিফ মাহমুদকে মামুনুল হকের ধন্যবাদ

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকাকালীন শাপলা চত্বরে নিহত শহীদ পরিবারগুলোকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানিত ও স্বীকৃতি দিয়েছিলেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এ ঐতিহাসিক উদ্যোগ নেওয়ায় তাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত ইসলামী বইমেলায় ‘শাপলা কর্নার’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি

মামুনুল হক বলেন, ‘সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বসে প্রথমবারের মতো ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের শহীদ পরিবারগুলোকে রাষ্ট্রীয় আয়োজনে সম্মাননা দিয়েছেন। এ অনন্য উদ্যোগের অকপট স্বীকৃতি ও কৃতিত্ব দিয়ে তাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।’

শাপলা চত্বরের আত্মত্যাগকে জাতীয় ইতিহাসের এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যেমন বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের ভিত থেকে এসেছিল, তেমনি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মূল প্রেরণাও প্রোথিত ছিল ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের রক্তে রাঙা আত্মত্যাগের মাঝে।’

জুলাই আন্দোলনের শহীদদের মতো শাপলার শহীদরাও যেন পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পান, সেই দাবি সংসদে ও রাজপথে অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

মামুনুল হক জানান, শাপলা স্মৃতি সংসদ দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর শহীদদের একটি প্রামাণ্য তালিকা তৈরি করে ‘শহীদনামা’ শীর্ষক স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ করেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শাপলা হত্যাকাণ্ডের মামলা ও শহীদদের পরিচয় শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে এ তালিকাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

অনুষ্ঠানে তিনি শাপলা স্মৃতি সংসদের সদস্য সচিব মাওলানা কামালউদ্দীনসহ সংশ্লিষ্ট সদস্যবৃন্দ এবং মেলায় স্টল বরাদ্দ দেওয়ায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও মেলা কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।

শেষে শাপলার চেতনা তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে দেশজুড়ে সাংস্কৃতিক ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তিনি।

source: Asia Post

Back to top button