বিহারে স্কুলের খাবারে লবণের বদলে ডিটারজেন্ট, হাসপাতালে ৩৬ শিক্ষার্থী

ভারতের বিহারের একটি সরকারি স্কুলে দুপুরের খাবারে লবণের বদলে ‘ভুল করে’ ডিটারজেন্ট পাউডার মিশিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। খাবার খাওয়ার পর মাথা ঘোরা ও বমি শুরু হলে অন্তত ৩৬ জন ছাত্রীকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার বিহারের নালন্দা জেলার একটি স্কুলে এ ঘটনা ঘটে। নিয়ম অনুযায়ী দুপুরের খাবার পরিবেশনের পরপরই কয়েক ডজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে।
ঘটনাটি নালন্দার নূরসরাই থানার আওতাধীন পারাসি এলাকার একটি মাধ্যমিক স্কুলে। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের বিহারশরিফ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের অবস্থা এখন স্থিতিশীল।
স্কুলটির প্রধান শিক্ষক শৈলেন্দ্র কুমার সিং জানান, নির্ধারিত মেনু অনুযায়ী সয়াবিন দিয়ে ভাত তৈরি করে একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) স্কুলে সরবরাহ করেছিল। খাবার খাওয়ার পর কয়েকজন শিক্ষার্থী এতে লবণ কম থাকার অভিযোগ করে।

স্থানীয়দের দাবি, রান্নাঘরে লবণ ও ডিটারজেন্ট পাউডারের পাত্র একই জায়গায় রাখা হয়েছিল। এ কারণে রাঁধুনি ভুল করে ডিটারজেন্টকে লবণ মনে করে খাবারে মিশিয়ে দেন।
এরপর কয়েকজন শিক্ষার্থী মাথা ঘোরা ও বমির কথা জানায়। প্রথমে স্কুলেই তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাদের সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সিভিল সার্জন ডা. জয় প্রকাশ সিং হাসপাতালে গিয়ে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। তিনি বলেন, সব শিক্ষার্থীই বিপদমুক্ত।
নালন্দার বিধায়ক ও বিহারের গ্রামীণ উন্নয়নমন্ত্রী শ্রবণ কুমারও হাসপাতালে গিয়ে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় তিনি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে এবং শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজ নেন।
শ্রবণ কুমার বলেন, দুপুরের খাবার তৈরি ও পরিবেশনের সময় কীভাবে এই গাফিলতি ঘটল, তা জানতে বিস্তারিত তদন্ত করা হবে।
source: Rajneete







