মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধার পরিণতি তারা ভোগ করবে: উপদেষ্টা জাহেদ

জামায়াতে ইসলামীর নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে দাফনে বাধা দেওয়ার পরিণতি দলটিকে ভোগ করতে হবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ উর রহমান এসব কথা বলেন।
জাহেদ উর রহমান বলেন, মুক্তিযোদ্ধার বিষয়টা নিয়ে যে তথ্য সামনে আসলো, সেটা খুবই দুঃখজনক। যে পলিটিকাল পার্টি এটার সাথে ইনভলভ হয়ে এই কাজগুলো করেছে। আমি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি এটার কনসেকুয়েন্স তারা ফিল করবে। এটা আসলে কেউ সঠিকভাবে নেয়নি।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, আমরা যাকে বিচার প্রক্রিয়ায় চাই, তিনি নিজ থেকে চলে এলে আমরা খুশি হব, তখন আর ধরে-বেঁধে আনতে হবে না। তিনি এলেই আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হবেন, কারণ তিনি দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তিনি আসার পর আইনগত যা যা হওয়ার, তাই হবে।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার নির্দিষ্ট সময়সীমা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি নিয়ে বারবার আলোচনা হলে একই বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন জল্পনা-কল্পনা চলতে থাকবে।
এ প্রসঙ্গে ডিসেম্বর বা পরবর্তী জুনের উদাহরণ টেনে তিনি জানান, বারবার নতুন সময়সূচির কথা বলা হলে আলোচনাটি পুনরাবৃত্তিমূলক হয়ে ওঠে।
উদাহরণ টেনে ডা. জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর এরশাদ কিন্তু দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাননি। তিনি ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা দেশেই ছিলেন, জেল খেটেছেন এবং পরবর্তীতে নির্বাচনে পাঁচটি আসনে জয়ীও হয়েছেন; তার দলেরও ৩৫টি আসন ছিল। শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেও তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ায় যা হওয়ার তাই হবে। তাকে কোনো ধরনের বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে দেওয়া হবে না।
source: Asia Post







