News

৪৯তম বিসিএসের গেজেট প্রকাশ, বাদ পড়লেন ৫৭ জন

৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা-২০২৫-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশ করা প্রার্থীদের বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। চূড়ান্তভাবে ৬৬৮ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হলেও গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে ৬১১ জনের। ফলে ৫৭ জন প্রার্থী গেজেট থেকে বাদ পড়েছেন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নবনিয়োগ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পিএসসির ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখের সুপারিশের ভিত্তিতে ৬১১ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হলো। নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রভাষক পদে জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী ২২ হাজার থেকে ৫৩ হাজার ৬০ টাকা বেতনক্রমে পদায়ন করা হয়েছে।

নিয়োগপ্রাপ্তদের সরকার নির্ধারিত প্রতিষ্ঠান বা বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বুনিয়াদি ও পেশাগত প্রশিক্ষণ নিতে হবে। পাশাপাশি তাদের দুই বছর শিক্ষানবিস হিসেবে কাজ করতে হবে।

নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১২ অক্টোবর তারিখের মধ্যে নির্ধারিত কর্মস্থলে যোগ দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে তিনি চাকরিতে যোগ দিতে সম্মত নন বলে ধরে নেওয়া হবে এবং নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।

৪৯তম বিসিএসের গেজেট

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, চাকরিতে যোগদানের সময় ৫০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে মুচলেকা বা বন্ড দিতে হবে। একই সঙ্গে যৌতুক না দেওয়া ও না নেওয়ার অঙ্গীকারনামা এবং প্রাক-চাকরিজীবন ও সম্পদের বিবরণী জমা দিতে হবে।

এ ছাড়া কোনো কর্মকর্তা বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করলে বা বিয়ের জন্য অঙ্গীকারাবদ্ধ থাকলে তার নিয়োগ বাতিল বলে গণ্য হবে।

এর আগে ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে পিএসসি। প্রকাশিত ওই ফলে শিক্ষা ক্যাডারে ৬৬৮ জনকে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়।

পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাসুমা আফরীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ৬৮৩টি শূন্যপদের বিপরীতে ৬৬৮ জনকে মেধাক্রম অনুযায়ী সাময়িকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। কয়েকটি ক্যাডারে যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় ১৫টি পদে প্রার্থী মনোনয়ন করা সম্ভব হয়নি।

৪৯তম বিসিএসে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয় ২০২৫ সালের ২২ জুলাই থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত। এতে আবেদন করেন ৩ লাখ ১২ হাজার ৭৫২ জন। এরপর ১০ অক্টোবর লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় অংশ নেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৭০ জন। অর্থাৎ আবেদন করেও পরীক্ষায় অংশ নেননি ১ লাখ ৩৬ হাজার ৮২ জন, যা মোট আবেদনকারীর প্রায় ৪১ শতাংশ।

লিখিত পরীক্ষার ফল ছয় কর্মদিবসের মধ্যে প্রকাশ করে পিএসসি। এতে উত্তীর্ণ হন ১ হাজার ২১৯ জন। তাদের মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয় ২ নভেম্বর। এরপর বিশেষ বিসিএসটির চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়।

source: Asia Post

Back to top button