ভারতের সঙ্গে নতুন কার্যকর সম্পর্ক চায় ঢাকা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

দিল্লির সঙ্গে ঢাকা নতুন কার্যকর সম্পর্ক তৈরি করতে চায় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেছেন, ‘বহুপাক্ষিক নয়, দ্বিপাক্ষিকভাবেই ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে আগ্রহ বাংলাদেশের। তাদের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিগুলো সংসদীয় কমিটি পর্যালোচনা করছে।’
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘ভারত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী হলেও দেশের পররাষ্ট্রনীতি শুধু একটি দেশকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হবে না। দ্বিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় যে ফোরামেই প্রয়োজন ও সুযোগ তৈরি হবে। সেখানেই সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।’
সীমান্তে দুই বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভারত সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। সীমান্তসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক বিধি ও বিদ্যমান প্রটোকলের আলোকে বিষয়টি মোকাবিলা করবে বাংলাদেশ।’
ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন চুক্তি বাতিলের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘বিষয়গুলো এখনো যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। সংসদীয় প্রক্রিয়ায় এগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।’
এদিকে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সফর প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘অধিবেশনকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীর সফরের মূল লক্ষ্য হলো বহুপক্ষীয় এ ফোরামে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরা।’
তিনি বলেন, ‘সফরকালে বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সুযোগ তৈরি হতে পারে। কোন নেতার সঙ্গে কখন বৈঠক হবে, তা আগাম নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের কর্মসূচিতে শেষ মুহূর্তেও পরিবর্তন আসে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় যেসব বৈঠক চূড়ান্ত হবে, সেগুলোর বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।’
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘রোহিঙ্গা নিয়ে জাতিসংঘে সাইডলাইন বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এটা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রোহিঙ্গা নিয়ে সাইডলাইন বৈঠকের আয়োজন করবে বাংলাদেশ।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সফরের মূল লক্ষ্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নেওয়া। এর বাইরে সফরসূচিতে বিভিন্ন বৈঠক যুক্ত হতে পারে। কোনো বৈঠক চূড়ান্ত হলে তা জানানো হবে।’
source: Asia Post







