কুমারখালীতে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে ইউএনও কার্যালয় ঘেরাও

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়ম ও আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় ঘেরাওয়ের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (৯ আগস্ট) বেলা সোয়া ১২টার দিকে ‘কুমারখালীর পতিত স্বৈরাচার বিরোধী নাগরিক সমাজ’ এর ব্যানারে আয়োজিত বিক্ষোভ থেকে ঘেরাওয়ের ঘটনা ঘটে।
এ সময় ইউএনওর কুশপুত্তলিকায় আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারী। পরে তাদের সঙ্গে ও পুলিশের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইউএনও কার্যালয় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এর আগে, বেলা ১১টার দিকে কুমারখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ইউএনও কার্যালয়ের সামনে গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশে রূপ নেয়। এতে ছাত্রদল, এনসিপিসহ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারী ও স্থানীয় ছাত্র-জনতা অংশ নেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আন্দোলনকারীরা ইউএনও কার্যালয়ের ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দিলে দুপক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলা উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর আন্দোলনকারীরা তালিকা বাতিল ও অভিযুক্তদের বাদ দেওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন।
উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সোহানুর রহমান সোহান এশিয়া পোস্টকে বলেন, ইউএনও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে আওয়ামী লীগের লোকজনকে পুনর্বাসন করার চেষ্টা করছেন। জুলাই আন্দোলনের প্রকৃত সংগ্রামীদের বাদ দিয়ে তালিকা করা হয়েছে। আমরা অনিয়মের বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছি। দাবি আদায় না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
উদ্ভূত পরিস্থিতির বিষয়ে বক্তব্য জানতে কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আখতারের ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে রয়েছে।
source: Asia Post






