দিল্লিতে সিজেপির কর্মসূচি ঘিরে ৩২ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘জাতীয় পতাকা ওড়াও’ কর্মসূচি ঘিরে সতর্ক অবস্থানে থাকছেন ৩২ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী।
শুক্রবার বিকেলে কনট প্লেসে কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে দলটি। তবে বড় মিছিলের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানাচ্ছে, কর্মসূচি ঘিরে কনট প্লেস ও মধ্য দিল্লিতে ছয় হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করবে দিল্লি পুলিশ। এর আগে থেকেই রাজধানীতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (সিএপিএফ) প্রায় ২৬ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। সব মিলিয়ে শুক্রবার মধ্য দিল্লিতে প্রায় ৩২ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন থাকার কথা বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
সরকারি কর্মকর্তাদের ভাষ্য, কর্মসূচির জন্য বাছাই করা কয়েকজনকে উপযুক্ত কোনো স্থানে মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হতে পারে। দিল্লি পুলিশের উপকমিশনার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহা যাদব জানিয়েছেন, কনট প্লেস ও আশপাশের এলাকায় জমায়েত এবং মিছিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে সিজেপি। গত মঙ্গলবার দলটির দুই জ্যেষ্ঠ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা গ্রেপ্তার হওয়ার পর জাতীয় পতাকা নিয়ে মিছিলের ঘোষণা দেন দলের আহ্বায়ক অভিজিৎ দিপক। শুক্রবারের কর্মসূচিতে তাঁরও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
গত মঙ্গলবার সৌরভ, আশুতোষসহ কয়েকজন তালাবদ্ধ ফটক টপকে যন্তর মন্তরের বিক্ষোভস্থলে ঢুকে ভারতের জাতীয় পতাকা ওড়ান। স্থানটি আগে বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত থাকলেও পরে সেখানে কর্মসূচি পালনের অনুমতি বাতিল করে কর্তৃপক্ষ। পুলিশ জানায়, তাঁদের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আটক করা হয়েছিল।
গত বুধবার বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর সৌরভ ও আশুতোষকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। অন্যদের ছেড়ে দেওয়া হয়। একই দিন অভিজিৎ আশঙ্কা প্রকাশ করেন, শুক্রবারের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তাঁকেও গ্রেপ্তার করা হতে পারে।
শুক্রবারের কর্মসূচিতে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন, আন্দোলনকর্মী ও আম আদমি পার্টির (আপ) সদস্যদের যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভ ঘিরে নয়াদিল্লি জেলায় প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। ওই জেলার আওতায় রয়েছে কনট প্লেস, রাজীব চক, সেন্ট্রাল পার্ক, আশপাশের মেট্রো স্টেশন, যন্তর মন্তর ও পালিকা বাজার।
source: Rajneete






