News

আইএটিএর সহযোগিতায় টিকিট সিন্ডিকেট দমনে জিরো টলারেন্স: বিমানমন্ত্রী

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, টিকিট সিন্ডিকেট দমনে সরকার ইতোমধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে এবং এক্ষেত্রে আইএটিএর কারিগরি সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বিমান খাতে যেকোনো ধরনের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (IATA) আঞ্চলিক ভাইস প্রেসিডেন্ট শেজডন হি। এ সময় বিমান পরিবহন খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুপক্ষের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এসময় দেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতের উন্নয়ন, টিকিট সিন্ডিকেট দমন, কারিগরি সহযোগিতা এবং পরিবেশবান্ধব বিমান চলাচল নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইএটিএ) সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে আইএটিএর আঞ্চলিক ভাইস প্রেসিডেন্ট শেজডন হি জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের উন্নয়নে সংস্থাটি সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স টেকনিক্যাল সেন্টার (BATC)-কে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেওয়ার আগ্রহও প্রকাশ করে আইএটিএ।

প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে বেসামরিক বিমান চলাচল অধ্যাদেশে কার্বন নিঃসরণ হ্রাস-সংক্রান্ত পৃথক ধারা সংযোজন করা হয়েছে। এছাড়া টেকসই এভিয়েশন ফুয়েল (SAF) ব্যবহারের উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে। আকাশপথে অপরাধ দমনে মন্ট্রিয়ল প্রোটোকল-২০১৪ গ্রহণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

বৈঠকে দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশ, আন্তর্জাতিক রুট ও সংযোগ সম্প্রসারণ, বিমান পরিবহন খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতে সরকার ও আইএটিএর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

source: Asia Post

Back to top button