থাপ্পড়কাণ্ডে বিতর্কিত বক্তব্য নিয়ে হাফেজ জুবায়েরের দুঃখ প্রকাশ

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে থাপ্পড় মারার ঘটনার প্রতিবাদে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন হাফেজ ক্বারী জুবায়ের আহমাদ তাশরীফ।
রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিওবার্তায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুবায়ের আহমাদ তাশরীফের একটি বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে তিনি টঙ্গীর একটি মাদ্রাসায় শিক্ষককে থাপ্পড় মারার ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার মতো উসকানিমূলক মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
সমালোচনার মুখে রোববার রাতে অবস্থান পরিষ্কার করে ভিডিও বার্তা দেন তাশরীফ। সেখানে তিনি বলেন, ‘আইনের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল। দোষ প্রমাণ হলে তাকে (গ্রেপ্তার শিক্ষক) শাস্তি দেওয়া হোক। তবে একজন দোষ করলে সেখানে একটি প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর কিংবা আরও কয়েকজনকে মারধর—এটার পক্ষে আমি ছিলাম না এবং সেখান থেকে আমি উত্তেজিত হয়ে অনেকগুলো কথা বলেছি। অনেকেই হয়তো কষ্ট পেয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার বক্তব্যে যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। যারা দেশ ও ইসলামের পক্ষে আছেন, আমি তাদের সঙ্গেই থাকব।’
এদিকে গাজীপুরের টঙ্গীতে এক শিশু শিক্ষার্থীকে (৭) যৌন নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক মো. মোসলেহ উদ্দিনের (মোসলেম আহম্মদ) জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অভিযুক্ত মোসলেহ উদ্দিন টঙ্গীর মধ্য আউচপাড়া এলাকার ‘ক্বারীউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র উপাধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত আছেন।
জানা গেছে, যৌন নিপীড়নের বিষয়টি জানতে পেরে ওই শিশুর অভিভাবক শাহজালাল রুমি অভিযুক্ত শিক্ষককে চড় মারেন। চড় দেওয়ার এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় শিক্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকের কাছে বৃহস্পতিবার বিকেলে শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
source: Asia Post







