News

অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি কার্যক্রম বন্ধ

অনির্দিষ্টকালের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত সাড়ে ১৪ হাজার প্রাথমিক সহকারি শিক্ষকের যোগদান শেষে ফের বদলি কার্যক্রম শুরু হবে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে সাত বছর ও তার বেশি জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার ৭৭ দশমিক ০৯ শতাংশ। ২০২৫ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা জরিপ সূত্রে এ তথ্য জানান তিনি। আগামীকাল ৮ সেপ্টেম্বর সাক্ষরতা দিবস পালিত হবে। এবারের দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’।

তিনি বলেন, সাক্ষরতা বিস্তারে গত কত কয়েক দশকে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ২০২৪ সালের শ্রমশক্তি জরিপের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ৭ বছর ও তার বেশি জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার ৭৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ। এই অগ্রগতি আমাদের জন্য আশা ব্যঞ্জক। তবে একই সঙ্গে এটিও সত্য যে এখনো একটি উল্লেখযোগ্য জনগোষ্ঠী কাঙ্ক্ষিত শিক্ষার সুযোগের বাইরে রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছে বিদ্যালয় বহির্ভূত ও ঝরে পড়া শিশু কিশোর, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং শিক্ষা থেকে বঞ্চিত প্রাপ্তবয়স্ক নারী পুরুষ। তাদের কাছে শিক্ষার সুযোগ পৌঁছে দেওয়া আমাদের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব এবং উন্নয়ন অগ্রযাত্রার অন্যতম প্রধান শর্ত।

আরো পড়ুন

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার পরিধি আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ রয়েছে। দেশের ৬৪ জেলার নির্বাচিত ৬৪ উপজেলায় ১০ থেকে থেকে ১৪ বছর বয়সী ১৯ হাজার ২০০ বিদ্যালয় বহির্ভূত শিশু-কিশোরকে পঞ্চম গ্রেড পর্যন্ত মৌলিক শিক্ষা প্রদান এবং আরও ১৯ হাজার ২০০ জন ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণকে জীবিকা অর্জনের দক্ষতা প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে ‘স্কিল ফোকাস লিটারেসি ফর আউট অফ স্কুল এডোলেসসেন্ট’ কার্যক্রম দেশের আরও ১৬ জেলার সম্প্রসারণ করে তিন বছরে ১ লাখ কিশোর-কিশোরীকে দক্ষতাভিত্তিক সাক্ষরতার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা বোর্ড চলমান কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এই অর্থবছরেই বিশেষ কার্যক্রমের দ্বিতীয় ধাপে দেশের ৫০টি জেলার আরও ৪ হাজার কিশোর-কিশোরীকে প্রাক বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে দেশকে নিরক্ষরতামুক্ত করতে ‘অ্যাডাল্ট লিটারেসি অ্যান্ড ফাংশনাল এবিলিটি এনহ্যান্সমেন্ট প্রোগ্রাম’ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় ২৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ৪৫ লাখ নিরক্ষর নারী ও পুরুষকে প্রায়োগিক সাক্ষরতা প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে ২০৩১ সাল নাগাদ দেশের সাক্ষরতার হার ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশে উন্নীত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

source: Asia Post

আরো দেখুন
Close
Back to top button