এআই ভিত্তিক আইডিয়া প্রতিযোগিতা ‘ফিউচারমেকার্স’-এর দ্বিতীয় আসর আয়োজন করছে গ্রামীণফোন

দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক আইডিয়া প্রতিযোগিতা ‘ফিউচারমেকার্স’-এর দ্বিতীয় সংস্করণ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (স্টেম) এবং নন-স্টেমসহ সকল একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বাস্তব জীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উদ্ভাবনী সমাধান তৈরিতে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।
গ্রামীনফোন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৫ সালে যাত্রা শুরু করা ‘ফিউচারমেকার্স’ চলতি বছর ‘সামাজিক কল্যাণে এআই’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণদের দায়িত্বশীল ও সৃজনশীলভাবে এআই ব্যবহার করে সমাজ ও সম্প্রদায়ের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার নতুন সমাধান খুঁজে বের করতে উৎসাহিত করা হবে। প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সমাধানভিত্তিক ধারণা আহ্বান করা হয়েছে। বিষয়গুলো হচ্ছে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও মানসিক সুস্থতা, দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ, লিঙ্গ সমতা ও অন্তর্ভুক্তি, পরিবেশের ভারসাম্য ও জলবায়ু মোকাবিলা এবং নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও তথ্যের গোপনীয়তা।
আগ্রহী শিক্ষার্থীরা ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈধ পরিচয়পত্র ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশন লিংকের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। অংশগ্রহণকারীরা ব্যক্তিগতভাবে অথবা সর্বোচ্চ তিন সদস্যের দল হিসেবে (ন্যূনতম ১ জন এবং সর্বোচ্চ ৩ জন সদস্য) আবেদন করতে পারবেন। বিভিন্ন শিল্পখাত, প্রযুক্তিভিত্তিক স্টার্টআপ এবং গ্রামীণফোনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত বিচারক প্যানেল জমাকৃত আইডিয়াগুলো মূল্যায়ন করবেন। নির্বাচিত আইডিয়াগুলো পরবর্তী ধাপে কনসেপ্ট পিচ এবং পরামর্শক-নির্দেশিত ইগনিশন চেম্বার-এ অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে, যেখানে প্রতিযোগীরা তাদের ধারণাগুলো আরও উন্নত ও পরিমার্জিত করার সুযোগ পাবেন। পরবর্তীতে চূড়ান্ত পর্বে তারা গালা অনুষ্ঠানে তাদের উদ্ভাবনী সমাধান উপস্থাপন করবেন।
প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা অর্থ পুরস্কারের পাশাপাশি গ্রামীণফোনের ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রামগুলোতে অংশগ্রহণে অগ্রাধিকার পাবেন।
গ্রামীণফোনের চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার (সিএইচআরও) সৈয়দা তাহিয়া হোসেন এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘এআই যেভাবে আমাদের শেখা, সৃষ্টি, উদ্ভাবন এবং সমস্যা সমাধানের পদ্ধতিকে ক্রমেই পরিবর্তন করছে, তাতে এ প্রযুক্তিকে বুঝে কার্যকরভাবে ব্যবহার করার সক্ষমতা আজকের ডিজিটাল অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘ফিউচারমেকার্স এবং এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘‘সামাজিক কল্যাণে এআই’’-এর মাধ্যমে আমরা তরুণদের কেবল এআই ব্যবহারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে, বাস্তব সমস্যার সমাধান ও ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টির লক্ষ্যে কীভাবে দায়িত্বশীলভাবে এটি প্রয়োগ করা যায়, তা খুঁজে বের করতে অনুপ্রাণিত করতে চাই।”
source: Asia Post







