ম্যাকেতে বাংলাদেশের স্কোরকার্ডজুড়ে শূন্য আর স্টার্ক

ম্যাকেতে বাংলাদেশের স্কোরকার্ডে একের পর এক শূন্য। আর প্রতিটি উইকেটের পাশেই একই নাম, মিচেল স্টার্ক। অস্ট্রেলিয়ান পেসারের বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ১২ রান তুলতেই পাঁচ ব্যাটারকে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
শনিবার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় টস জিতে বাংলাদেশকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠান অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। সিদ্ধান্তটি সঠিক প্রমাণ করতে স্টার্কের প্রয়োজন হয়েছে মাত্র একটি বল।
ম্যাচের প্রথম বলেই সাদমান ইসলামকে ফিরিয়ে দেন বাঁহাতি পেসার। ফুল লেংথের বল ব্যাটের বাইরের প্রান্ত ছুঁয়ে গেলে গালিতে নিচু ক্যাচ নেন ক্যামেরন গ্রিন। কোনো রান না করেই ফিরে যান শাদমান।
নিজের দ্বিতীয় ওভারে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন স্টার্ক। ওভারের প্রথম বলে ডারউন টেস্টের শতকজয়ী তানজিদ হাসান তামিমকে তৃতীয় স্লিপে বিউ ওয়েবস্টারের ক্যাচ বানান তিনি। দুই বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি তানজিদ।
পরের বলেই নাজমুল হোসেন শান্তকে এলবিডব্লিউ করে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান স্টার্ক। বাংলাদেশের অধিনায়কও ফেরেন প্রথম বলেই শূন্য রানে। হ্যাটট্রিকের বলটি অবশ্য সামলে দেন মুশফিকুর রহিম।
তাতেও থামেনি বাংলাদেশের উইকেট-পতন। স্টার্কের পরের ওভারেই ড্রাইভ করতে গিয়ে গালিতে গ্রিনের হাতে ধরা পড়েন মুমিনুল হক। ক্যাচটি মাটিতে লেগেছে কি না, তা যাচাইয়ের পর ৯ রান করা মুমিনুলকে আউট ঘোষণা করেন তৃতীয় আম্পায়ার।
স্টার্কের পঞ্চম শিকার হন লিটন দাস। আগের বলেই তৃতীয় স্লিপে তার সহজ ক্যাচ ছেড়ে দিয়েছিলেন ওয়েবস্টার। তবে পাওয়া জীবন স্থায়ী হয়েছে মাত্র এক বল। পরের ডেলিভারিতে স্টার্কের ভেতরে ঢোকা বলে লিটনকে এলবিডব্লিউ দেননি মাঠের আম্পায়ার। অস্ট্রেলিয়া রিভিউ নেওয়ার পর সিদ্ধান্ত বদলে যায়। পাঁচ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি লিটন।
মাত্র ২২ বলের মধ্যে ৪ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট তুলে নেন স্টার্ক। বাংলাদেশের প্রথম ছয় ব্যাটারের মধ্যে শাদমান, তানজিদ, শান্ত ও লিটন ফিরেছেন শূন্য রানে। ৬.৪ ওভার শেষে সফরকারীদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১২ রান।
ডারউনে প্রথম টেস্ট ৯ উইকেটে জিতে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে বাংলাদেশ। ম্যাকেতে জয় অথবা ড্র পেলেই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজ জিতবে শান্তর দল। তবে সেই ইতিহাসের লড়াইয়ের শুরুতেই বাংলাদেশের সামনে কঠিন বাস্তবতা হাজির করেছেন স্টার্ক।
source: Asia Post







