নীলফামারী/স্বপ্ন ভেঙে ১৮ বছরের আগেই বিয়ে ৪২ শতাংশ কিশোরীর

আইন আছে, প্রশাসনের অভিযানও চলছে। তবু নীলফামারীতে থামছে না বাল্যবিবাহ। দারিদ্র্য, সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা, শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়া এবং জন্মনিবন্ধনে বয়স জালিয়াতির সুযোগ নিয়ে এখনও অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সরকারি পরিসংখ্যানের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই বিয়ে হয়ে যাচ্ছে ৪২ দশমিক ৪ শতাংশ কিশোরীর।
এদিকে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে কোনো কিশোরীর বিয়ে বন্ধ করা গেলেও তার জীবন কতটা নিরাপদ ও স্বাভাবিক হচ্ছে, সে প্রশ্নের উত্তর অনেক ক্ষেত্রেই নেই। বিয়ে বন্ধের পর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ, পারিবারিক নিরাপত্তা, মানসিক সহায়তা, আর্থিক সহযোগিতা ও পুনর্বাসনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় অনেক কিশোরীর ভবিষ্যৎ আবারও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে। ফলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসনিক সাফল্য অনেক ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক হলেও তা দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে রূপ নিচ্ছে না।
১৮ বছরের আগেই বিয়ে ৪২.৪ শতাংশ কিশোরীর
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, নীলফামারী জেলায় ১৫ বছরের নিচে বাল্যবিবাহের হার ৭ দশমিক ৬ শতাংশ। আর ১৮ বছরের নিচে বাল্যবিবাহের হার ৪২ দশমিক ৪ শতাংশ। অর্থাৎ জেলার প্রতি ১০ জন কিশোরীর মধ্যে চারজনের বেশি ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই বিয়ের শিকার হচ্ছে। এই পরিসংখ্যানের সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজারো কিশোরীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ।
আইন অনুযায়ী, মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর এবং ছেলেদের ২১ বছর। অথচ বাস্তব চিত্র বলছে, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে যে সামাজিক ও প্রশাসনিক কাঠামো কাজ করার কথা, সেখানেও রয়েছে নানা দুর্বলতা।
জন্মনিবন্ধনেই বয়স বদলে যাচ্ছে
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বয়স প্রমাণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল জন্মনিবন্ধন। কিন্তু এই জন্মনিবন্ধন ব্যবস্থাকে ঘিরেই উঠছে গুরুতর প্রশ্ন। স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের উপযুক্ত বয়স না হওয়া কিশোরীর জন্মনিবন্ধনের তথ্য অর্থের বিনিময়ে পরিবর্তন করে কাগজে বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি দেখানো হচ্ছে। পরে ওই জন্মনিবন্ধন ব্যবহার করে বিয়ে সম্পন্ন করা হচ্ছে। অর্থাৎ বাস্তবে মেয়েটি অপ্রাপ্তবয়স্ক হলেও সরকারি নথিতে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় বিয়েটি বৈধতার একটি আবরণ পাচ্ছে।
এখানেই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ব্যবস্থার বড় একটি দুর্বলতা সামনে আসে। জন্মনিবন্ধনের তথ্য সহজেই পরিবর্তন করা গেলে এবং পরিবর্তিত তথ্যের সঙ্গে অন্যান্য নথির সমন্বিত যাচাই না থাকলে কাগজপত্রের আড়ালে বাল্যবিবাহ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জন্মনিবন্ধনের তথ্য যাচাই, বয়সের কাগজপত্র পরীক্ষা এবং বিয়ের আগে সংশ্লিষ্টদের যথাযথ সতর্কতার ঘাটতি থাকলে এ ধরনের জালিয়াতি আরও সহজ হয়ে ওঠে। তবে কারা এই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত, কীভাবে তথ্য পরিবর্তন করা হচ্ছে, কত টাকার বিনিময়ে করা হচ্ছে এবং কতগুলো বিয়েতে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে—এসব প্রশ্নের উত্তর বের করতে নির্দিষ্ট ও কার্যকর তদন্ত প্রয়োজন।
নীলফামারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আসাদুজ্জামান খান রিনো এশিয়া পোস্টকে বলেন, ভোটের কারণেই হোক কিংবা অভাবের কারণে, অনেকেই অসাধু উপায়ে জন্মনিবন্ধনে বয়স পরিবর্তন করে মেয়ের বয়স ১৮ বছর দেখিয়ে বিয়ে দিয়ে দিচ্ছেন। সামাজিকভাবে কোথায় কী ঘটছে, তার সব তথ্য আমাদের কাছে সব সময় পৌঁছায় না। তবে বিষয়টি উদ্বেগজনক।
দারিদ্র্য, নিরাপত্তাহীনতা ও সামাজিক মানসিকতা
তবে বাল্যবিবাহের মূল কারণ শুধু জন্মনিবন্ধন জালিয়াতি নয়। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা। জেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দরিদ্র পরিবারের অনেক অভিভাবক মেয়েকে পরিবারের ওপর অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে দেখেন। সংসারের ব্যয় কমানো, মেয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কিংবা ভবিষ্যতে ভালো পাত্র পাওয়া যাবে না—এমন আশঙ্কা থেকেও অল্প বয়সে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তারা।
অনেক পরিবারে এখনো ধারণা, মেয়ের বিয়ে হয়ে গেলে পরিবারের একটি বড় দায়িত্ব শেষ। ফলে মেয়েটির নিজের ইচ্ছা, পড়াশোনা কিংবা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার চেয়ে পারিবারিক সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হয়ে ওঠে। এমনই এক কিশোরী জানায়, মাত্র ১৪ বছর বয়সে তার বিয়ে হয়ে যায়। তার স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে চিকিৎসক হওয়ার। কিন্তু অকাল বিয়ের কারণে সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দেওয়ার সুযোগ হয়নি।
আরেক কিশোরীর অভিজ্ঞতা আরও বেদনাদায়ক। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ভুক্তভোগী জানায়, তার এক বান্ধবীর পরিবার জোর করে বিয়ের আয়োজন করেছিল। বিয়ে ঠেকাতে ব্যর্থ হয়ে হতাশায় ওই কিশোরী নিজের হাত ব্লেড দিয়ে কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। শেষ পর্যন্ত বিয়ে ঠেকানো যায়নি; পরে তার খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়।
বিয়ে ঠেকানোর পরই কি শেষ প্রশাসনের দায়িত্ব?
বাল্যবিবাহ বন্ধ করা নিঃসন্দেহে একটি সাফল্য। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এরপর কী? কোনো কিশোরীর বিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হওয়ার পর সে আবার পরিবারের কাছে ফিরে যায়। সেখানে যদি পরিবার তাকে পড়াশোনা করতে না দেয়, পুনরায় বিয়ের চাপ সৃষ্টি করে অথবা আর্থিক ও মানসিকভাবে তাকে একঘরে করে রাখে, তাহলে বিয়ে বন্ধের তাৎক্ষণিক সাফল্য কতটা টেকসই—সে প্রশ্ন থেকেই যায়।
সুমনা আক্তারের অভিজ্ঞতা সেই প্রশ্নই সামনে আনে। নিজের বিয়েতে রাজি না হয়ে তিনি সাহস করে বিয়ে বন্ধ করতে সক্ষম হন। কিন্তু এরপর পরিবার তাঁর পড়াশোনা চালানোর খরচ দেওয়া বন্ধ করে দেয়। ফলে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেলেও শিক্ষাজীবন চালিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব পড়ে তার নিজের ওপর।
অর্থাৎ একটি কিশোরীর বিয়ে বন্ধ করা গেলেই তাকে নিরাপদ ভবিষ্যতের পথে ফিরিয়ে দেওয়া যায় না। প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা ও নজরদারি। বিয়ে বন্ধের পর কিশোরীর শিক্ষা অব্যাহত রাখা, পরিবারকে কাউন্সেলিংয়ের আওতায় আনা, প্রয়োজন হলে আর্থিক সহায়তা দেওয়া এবং পুনরায় বিয়ের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে কি না—তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।
মাঠে প্রশাসনের সীমাবদ্ধতা
নীলফামারী জেলা প্রশাসন বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, সচেতনতামূলক সভা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচারণা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় জনবল ও লজিস্টিক সুবিধার ঘাটতি থাকায় সব এলাকায় সমানভাবে নজরদারি করা সম্ভব হচ্ছে না।
নীলফামারী জেলা প্রশাসক ও জেলা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো. নায়িরুজ্জামান এশিয়া পোস্টকে বলেন, বাল্যবিবাহ এখনো পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর, বিশেষ করে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মাঠপর্যায়ে কাজ করার কথা থাকলেও সেখানে জনবলের যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে সব জায়গায় কার্যকর নজরদারি করা সম্ভব হয় না। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করে আমরা কাজ করছি।
একই সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়েছেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও। নীলফামারী জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক আনিসুর রহমান এশিয়া পোস্টকে বলেন, জনবলসংকট ও লজিস্টিক সহায়তার অভাবে অনেক সময় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ভুক্তভোগীদের কাছে সময়মতো পৌঁছানো সম্ভব হয় না। বিশেষ করে দুর্গম এলাকায় বিয়ে বন্ধ করা গেলেও পরবর্তী সময়ে তদারকি করা কঠিন হয়ে পড়ে।
বাল্যবিবাহের স্বাস্থ্যঝুঁকি বহুমাত্রিক
বাল্যবিবাহের সবচেয়ে বড় ক্ষতিগুলোর একটি পড়ে কিশোরীর স্বাস্থ্য ও মানসিক বিকাশে। অল্প বয়সে বিয়ে এবং এরপর দ্রুত গর্ভধারণ—দুটিই অপরিণত শরীরের ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করে।
নীলফামারীর গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. ই. ইউ. রওশন আরা ইসলাম এশিয়া পোস্টকে বলেন, অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের ফলে গর্ভকালীন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, প্রি-একলাম্পসিয়া ও একলাম্পসিয়ার মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। সময়ের আগে সন্তান জন্ম, অপুষ্ট শিশুর জন্ম, প্রসবজনিত জটিলতা এমনকি মাতৃমৃত্যুর ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাই বাল্যবিবাহ শুধু আইনগত অপরাধ নয়, এটি জনস্বাস্থ্যের জন্যও বড় হুমকি।
বাল্যবিবাহের ক্ষতি একটি মেয়ের জীবনে সীমাবদ্ধ থাকে না। অকাল মাতৃত্ব, অপুষ্টি, শিক্ষাজীবনের সমাপ্তি, অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা ও মানসিক চাপের প্রভাব পরবর্তী প্রজন্মের ওপরও পড়ে।
প্রশাসনের নজরদারি কতটা কার্যকর?
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসনের তৎপরতা থাকলেও গত তিন বছরে মাত্র ১১টি বাল্যবিবাহ বন্ধ করার তথ্য পাওয়া গেছে। এ সংখ্যা একদিকে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের একটি চিত্র তুলে ধরে, অন্যদিকে নতুন প্রশ্নও তৈরি করে—প্রশাসনের কাছে পৌঁছানো ১১টি ঘটনাই কি প্রকৃত চিত্র?
কারণ গ্রামাঞ্চলে অনেক বাল্যবিবাহ পরিবারের মধ্যেই গোপনে সম্পন্ন হয়। কোথাও রাতের আঁধারে, কোথাও বাড়িতে, আবার কোথাও বয়সের কাগজপত্র ঠিকঠাক দেখিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে দেওয়া হয়। ফলে প্রশাসনের অভিযানে বন্ধ হওয়া বিয়ের সংখ্যা দিয়ে জেলার প্রকৃত বাল্যবিবাহের চিত্র নির্ধারণ করা কঠিন।
বিশেষ করে ১৮ বছরের নিচে বাল্যবিবাহের হার যেখানে ৪২ দশমিক ৪ শতাংশ, সেখানে তিন বছরে মাত্র ১১টি বিয়ে বন্ধ হওয়ার তথ্য প্রশাসনিক নজরদারির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।
সংকট নিরসনে করণীয়
বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও আইনি কঠোরতা প্রয়োজন হলেও কেবল প্রয়োগমুখী পদক্ষেপে স্থায়ী সমাধান আসবে না। এর জন্য প্রয়োজন প্রতিরোধ, কার্যকর নজরদারি, সামাজিক সুরক্ষা ও টেকসই পুনর্বাসনের সমন্বিত উদ্যোগ। বিশ্লেষকদের মতে, সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি—
জালিয়াতি বন্ধ ও কঠোর তদন্ত: জন্মনিবন্ধনে বয়স সংশোধনের প্রতিটি আবেদন সংবেদনশীলতার সঙ্গে কঠোরভাবে যাচাই করতে হবে। জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত অসাধু চক্রকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা আবশ্যক।
নথিপত্রের সমন্বিত রূপায়ণ: জন্মনিবন্ধন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং কাজী অফিসের ম্যারেজ রেজিস্টারের তথ্যের মধ্যে আন্তযোগাযোগ ও ডিজিটাল সমন্বয় ঘটাতে হবে, যাতে তথ্যের অসংগতি সহজেই ধরা পড়ে।
ঝুঁকিপূর্ণ পরিবার চিহ্নিতকরণ: দরিদ্র পরিবার, স্কুল থেকে ঝরে পড়া শিক্ষার্থী এবং যেসব এলাকায় অকাল বিয়ের প্রবণতা বেশি, সেসব পরিবারকে আগাম নজরদারির আওতায় আনতে হবে।
পরবর্তী সুরক্ষা ও পুনর্বাসন: বিয়ে বন্ধ করেই প্রশাসনিক দায় শেষ করা যাবে না। ভুক্তভোগী কিশোরীর নিরাপত্তাসহ শিক্ষা চালু রাখা, আর্থিক সহায়তা প্রদান ও প্রয়োজনীয় মানসিক কাউন্সেলিং সুনিশ্চিত করতে হবে।
ইউনিয়নভিত্তিক সামাজিক প্রতিরোধ: স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, কাজী, ধর্মীয় নেতা, নারী সংগঠন ও অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করে তৃণমূল পর্যায় থেকেই শক্তিশালী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
নীলফামারীতে ১৮ বছরের নিচে বাল্যবিয়ে হওয়ার হার ৪২ দশমিক ৪ শতাংশ হলেও গত তিন বছরে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে বন্ধ হয়েছে মাত্র ১১টি বিয়ে। এই বৈষম্যই প্রমাণ করে—সমস্যার গভীরে পৌঁছাতে কেবল ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানই যথেষ্ট নয়।
source: Asia Post







