সাকিবের ২ উইকেটের পরও ফাইনালে হার জাফনার

ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন সাকিব আল হাসান ও তাওহিদ হৃদয়। পরে বল হাতে সাকিব দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিলেও লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগের ফাইনালে জাফনা কিংসকে জেতাতে পারেননি। জাফনাকে ৫ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এলপিএলের শিরোপা জিতেছে গল গ্যালান্টস।
শনিবার কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করে ১৯ দশমিক ৩ ওভারে ১২৩ রানে অলআউট হয় জাফনা। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৫ দশমিক ৫ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রান তুলে নেয় গল। তখনো বাকি ছিল ২৫ বল।
জাফনার ইনিংসে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়েছে। দলীয় ৩১ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারানোর পর ক্রিজে আসেন হৃদয়। একটি চার মারলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি বাংলাদেশের এই ব্যাটার। ১০ বলে ১০ রান করে সাচিন্দু কলম্বাগের বলে মোহাম্মদ নওয়াজের হাতে ক্যাচ দেন তিনি।
৬৮ রানের মধ্যে পাঁচ উইকেট হারানো জাফনার হয়ে সাত নম্বরে ব্যাট করতে নামেন সাকিব। তিনিও সুবিধা করতে পারেননি। এশান মালিঙ্গার বলে ক্যাচ দেওয়ার আগে করেন ১৩ বলে ৯ রান।
জাফনার সর্বোচ্চ ৪১ রান এসেছে কামিল মিশারার ব্যাট থেকে। ৩২ বলের ইনিংসে তিনি মেরেছেন তিনটি চার ও একটি ছক্কা। শেষ দিকে ১৬ বলে ২৪ রান করেন চামিন্দু বিক্রমাসিংহে। গলের চারিথ আসালাঙ্কা ও এশান মালিঙ্গা তিনটি করে উইকেট নেন।
ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১০ রানে দুই উইকেট হারিয়েছিল গল। এরপর থমাস রজার্স ও দিনুরা কালুপাহানা তৃতীয় উইকেটে ৬৪ রান যোগ করে দলকে ম্যাচে ফেরান।
জমে ওঠা জুটিটি ভাঙেন সাকিব। একই ওভারে ২৭ বলে ৩৪ রান করা রজার্সকে ফেরানোর পর ১৯ বলে ৩১ রান করা কালুপাহানাকে বোল্ড করেন তিনি। গলের স্কোর তখন ৪ উইকেটে ৭৫।
তবে জাফনাকে আর ম্যাচে ফিরতে দেননি গলের পরের ব্যাটাররা। চামিকা করুণারত্নে করেন ১৬ রান। সাহান আরাচ্চিগে ১৪ এবং দাসুন শানাকা ৯ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন।
জাফনার সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন সাকিব। চার ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে নিয়েছেন দুটি উইকেট। গলের স্কোয়াডে বাংলাদেশের নুরুল হাসান থাকলেও ফাইনালের একাদশে সুযোগ পাননি।
তিন উইকেট নেওয়া গল অধিনায়ক আসালাঙ্কা হয়েছেন ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়। জাফনার কামিল মিশারা পেয়েছেন টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কার।
source: Asia Post







