News

ইসরায়েলে নির্বাচনে নেতানিয়াহুকে সমর্থনে অনীহা ভ্যান্সের, মতভেদ ট্রাম্পের সঙ্গে

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আবারও নির্বাচিত হোক, এমন সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। এতে এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানের সঙ্গে তার পার্থক্য স্পষ্ট হয়েছে। সম্প্রতি নেতানিয়াহুর প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়েছেন ট্রাম্প।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের খবরে বলা হয়, সোমবার (১৯ অক্টোবর) সাংবাদিক মার্ক হালপেরিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন ভ্যান্স।

এয়ার ফোর্স টু বিমানে বসে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রার্থীদের সমর্থন করাই তার অগ্রাধিকার। বর্তমানে তার মনোযোগ আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘিরে; ইসরায়েলের নির্বাচনে তিনি জড়াতে চান না।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রার্থীদের সমর্থন করি। আর আমি এখন মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়েই মনোযোগী। ইসরায়েলের নির্বাচনে আমি জড়াচ্ছি না।’

নেতানিয়াহুকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে ভ্যান্স বলেন, তিনি এর পক্ষে বা বিপক্ষে কোনোটিই নন। তার ভাষায়, ‘আমি তাকে সমর্থন দেওয়ার বিরোধী নই। আবার সমর্থন দেওয়ার পক্ষেও নই। ইসরায়েলের নির্বাচনে আমি জড়াচ্ছি না।’

এর আগে নেতানিয়াহুকে সমর্থনের বিষয়ে নীরব ছিলেন ট্রাম্পও। চলতি মাসের শুরুতে টাইম সাময়িকীকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আর (ইসরায়েলের) রাজনীতিতে জড়িত নই।’

তবে শনিবার নিজের অবস্থান থেকে সরে এসে নেতানিয়াহুর প্রতি জোরালো সমর্থন জানান ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে ‘মহান যোদ্ধা প্রধানমন্ত্রী’ বলে অভিহিত করেন তিনি।

সিএনএন লিখেছে, নেতানিয়াহুর প্রতি সমর্থন জানাতে ভ্যান্সের অস্বীকৃতি ট্রাম্পের সঙ্গে তার আপাত মতপার্থক্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইসরায়েলের নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে এ অবস্থান সামনে এল। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও অঘোষিত সফরে ইসরায়েলে গেছেন।

অবগত দুই ব্যক্তি ও একজন মার্কিন কর্মকর্তা পিট হেগসেথের ইসরায়েল সফরের তথ্য জানিয়েছেন। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অবগত ইসরায়েলের একজন কর্মকর্তা এবং আরেকটি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যায় নেতানিয়াহু ও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের সঙ্গে বৈঠক করেন হেগসেথ।

প্রসঙ্গত, এর আগে চলতি বছরের শুরুতে হাঙ্গেরির বুদাপেস্ট সফর করেছিলেন ভ্যান্স। দেশটির দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানকে সমর্থন জানাতেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। অরবানের প্রতি সমর্থন ছিল ট্রাম্পেরও। তবে নির্বাচনে পরাজিত হন হাঙ্গেরির দীর্ঘ সময়ের এই প্রধানমন্ত্রী।

source: Rajneete

Back to top button