দেশে ফিরছেন রিয়াদে আটকাপড়া বাংলাদেশিরা, আহত ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত ২৭ জনের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বিমানবন্দরটিতে কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত হওয়ায় সেখানে আটকাপড়া পাঁচ শতাধিক বাংলাদেশিকে অন্য বিমানবন্দর হয়ে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রমকল্যাণ উইং থেকে রোববার (১১ অক্টোবর) পাঠানো সবশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার বিকেলে আনুমানিক সোয়া ৩টার দিকের ওই হামলায় দুজন বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের মোট ১৩ জন নিহত হয়েছেন। বাংলাদেশি ২৭ জনসহ আহত হয়েছেন ৩০৯ জন। নিহতদের একজন বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. শাহেদ আহম্মেদ। তিনি জেদ্দায় এক কোম্পানিতে কাজ করতেন। দেশে ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে ফেরার জন্য তিনি বিমানবন্দরে ট্রানজিট ফ্লাইটের অপেক্ষায় ছিলেন। অপরজন কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বদরপুর গ্রামের মোহাম্মদ উল্লাহর ছেলে মো. নাসরুল্লাহ বদরপুরী। তিনি ওররাহ পালনের জন্য ট্রানজিটে রিয়াদ থেকে জেদ্দায় যাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন।
এদিকে আহত ২৭ বাংলাদেশির মধ্যে ১১ জন প্রবাসীকর্মী এবং ১৬ জন ওমরাহ যাত্রী। এর মধ্যে ১২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসাধীন বাকি ১৫ জনের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
হামলার পর রিয়াদ বিমানবন্দরে পাঁচ শতাধিক বাংলাদেশি আটকা পড়েন। এর মধ্যে ২৫ জনকে রেডিসন ব্লু, ১৭ জনকে ম্যারিয়েট হোটেল এবং ৪০ জনকে রিয়াদের প্রিন্সেস নুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমিটরিতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। রিয়াদ থেকে ঢাকাগামী সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের বাতিল হওয়া এসভি৮০৪ ফ্লাইটের প্রায় ৪০০ যাত্রীকে সৌদি ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সহায়তায় দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে বাংলাদেশে ফেরত আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করেছে সৌদি সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ। ফলে রিয়াদের সঙ্গে বাংলাদেশের ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে।
source: Asia Post







