News

জুমার খুতবায় বায়তুল মোকাররমের খতিব /সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিতদের কেউ ক্ষতি করতে পারবে না

সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিতদের কেউ ক্ষতি করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) জুমার নামাজের আগে দেওয়া খুতবায় এ কথা জানান তিনি।

বায়তুল মোকাররমের খতিব বলেন, আমাদের নবীজি (সা.) বলেছেন, কেয়ামত পর্যন্ত একটা জামাত হকের ওপর থাকবে। তাদের কেউ ক্ষতি করতে পারবে না। তারা কেয়ামত পর্যন্ত হকের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে। আল্লাহ হককে এভাবে হেফাজত করেছেন।

তিনি বলেন, নবীজি (সা.)-এর সবচেয়ে প্রসিদ্ধ নাম মুহাম্মদ। আরেকটি নাম আহমাদ। এ দুটি নামই কোরআনে আছে। আরও কয়েকটি নাম হাদিসে আছে। কোরআনে আল্লাহ তাআলা মুহাম্মদ (সা.)-এর অনেক গুণের কথা বলেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের নিজেদের মধ্য থেকেই তোমাদের কাছে একজন রাসুল এসেছেন। তোমাদের যে কোনো কষ্ট, তাঁর জন্য অতি পীড়াদায়ক। সে সতত তোমাদের কল্যাণকামী। সে মুমিনদের প্রতি অত্যন্ত সদয় এবং পরম দয়ালু।…’

তিনি বলেন, মুহাম্মদ (সা.)-কে আল্লাহ যে কোনো সময় তাঁর কাছে ডেকে নিতে পারতেন। কিন্তু আল্লাহ তাঁকে নবুওয়াত দেওয়ার পর আরও ২৩ বছর হায়াত দিয়েছেন। এই ২৩ বছরে আল্লাহ নিজের কুদরত এবং রহমতে কী কী কারিশমা দেখিয়েছেন, তা সিরাত থেকে পড়া প্রয়োজন।

নবীজি (সা.) নবুওয়াত প্রাপ্তির পর ১৩ বছর মক্কায় ছিলেন জানিয়ে মুফতি আবদুল মালেক বলেন, সেখানে কোরআনের বেশিরভাগ সুরা অবতীর্ণ হয়েছিল। আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হওয়া কোরআন নবীজি সাহাবিদের শোনাচ্ছেন, তারা শত্রুর কোলে থেকেই তা নির্ভুলভাবে লিখছেন। তিনি কাফেরদের দ্বীনের দাওয়াত দিচ্ছেন, যাদের ভাগ্য ভালো তারা গ্রহণ করেছেন। তারা সৌভাগ্যবান হয়েছেন।

কাফেরদের দ্বারা ইমানদাররা বহু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

কোরআন-হাদিসের মাধ্যমে আল্লাহ যে শরিয়ত দান করেছেন তা সংরক্ষিত জানিয়ে বায়তুল মোকাররমের খতিব বলেন, একটা বিধানের মধ্যে কেউ কখনও হাত দিতে পারেনি। কেউ হাত দিলেই ধরা পড়ে। আল্লাহর দ্বীন তিনি যেভাবে অবতীর্ণ করেছেন, নবীজি (সা.) যেভাবে সাহাবিদের কাছে রেখে গেছেন, সেভাবেই আছে। কেয়ামত পর্যন্ত সেভাবেই থাকবে।

মুফতি আব্দুল মালেক জুমার খুতবায় রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর মক্কার জীবন, সেখান থেকে মদিনার হিজরত, মদিনার জীবনযাপন, যুদ্ধ, বিদায় হজের ভাষণসহ ইত্যাদি বিষয়ে সংক্ষিপ্তভাবে তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা করেছেন।

source: Asia Post

Back to top button