News

এবার ইউটিউবের বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট স্থগিত ও কনটেন্ট সরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে ভোক্তা সুরক্ষা আইন লঙ্ঘন করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে ইউটিউবের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ট্রেড কমিশন (এফটিসি)। তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে ব্লুমবার্গ নিউজ।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

গত বছর থেকেই ইউটিউবের কার্যক্রম তদন্ত করছে এফটিসি। গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের মালিকানাধীন ভিডিও প্ল্যাটফর্মটি কনটেন্ট নিষিদ্ধ, সরিয়ে দেওয়া কিংবা প্রচার কমিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে নিজেদের ব্যবহারকারী নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করেছে কি না, তদন্তে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তদন্তের অন্যতম বিষয় হলো—ইউটিউবের কনটেন্ট নীতিমালা দেখে ব্যবহারকারীরা এমন ধারণা নিয়ে প্ল্যাটফর্মটিতে যোগ দিয়েছিলেন কি না যে নির্দিষ্ট কিছু কনটেন্ট প্রকাশের অনুমতি রয়েছে। পরে সেই কনটেন্ট সরিয়ে দেওয়া বা সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা হলে ব্যবহারকারীরা বিভ্রান্ত বা প্রতারিত হয়েছেন কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছে এফটিসি।

তবে তদন্তে ঠিক কোন কোন অ্যাকাউন্ট বা ব্যবহারকারীর বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। ইউটিউবের বিরুদ্ধে এখনো কোনো অন্যায় বা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনেনি এফটিসি। তদন্ত শেষে কোনো ধরনের ব্যবস্থা না নেওয়ার সিদ্ধান্তও হতে পারে।

এফটিসি চেয়ারম্যান অ্যান্ড্রু ফার্গুসন অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো কীভাবে তাদের বক্তব্য ও কনটেন্ট-সংক্রান্ত নীতিমালা প্রয়োগ করে, সে বিষয়ে আরও কঠোর নজরদারির ইঙ্গিত দেওয়ার পর এই তদন্ত বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এফটিসির ভোক্তা সুরক্ষা ব্যুরোর আইনজীবীরা তদন্তটি পরিচালনা করছেন। ব্যুরোটির পরিচালক ক্রিস মুফারিজের অধীনে তদন্ত চলছে। তবে সংস্থাটির কয়েকজন পেশাদার কর্মকর্তা মামলাটি করার বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে ভিন্নমত জানিয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ইউটিউব কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। রয়টার্সের প্রশ্নের জবাবও তাৎক্ষণিকভাবে দেয়নি এফটিসি।

ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এফটিসির এক মুখপাত্র বলেন, ফাঁস হওয়া তথ্য কোনো তদন্ত বা আইনি পদক্ষেপকে থামাতে কিংবা ধীর করতে পারবে না। তদন্তের তথ্য ফাঁসের বিষয়টি কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্তের জন্য পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

source: Asia Post

Back to top button