News

ঘুষের সত্যতা মেলেনি, সেই ম্যাজিস্ট্রেটকে ছেড়ে দিল পুলিশ

রাজধানীর উত্তরায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে জনগণের হাতে অবরুদ্ধ হওয়ার পর পুলিশের হেফাজতে নেওয়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অতীশ দর্শী চাকমাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশের দাবি, মোবাইল কোর্টে জরিমানা করার পর রসিদ দিতে দেরি হওয়ায় মূলত ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল।

বুধবার (৪ নভেম্বর) রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খালিদ মুনসুর এশিয়া পোস্টকে এ তথ্য জানান।

এর আগে, বুধবার দুপুরে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর সড়কের মোড়ের পাকার মাথা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনার সময় স্থানীয় লোকজনের হাতে মারধরের শিকার হন ম্যাজিস্ট্রেট অতীশ দর্শী চাকমা। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ওসি খালিদ মুনসুর এশিয়া পোস্টকে বলেন, ম্যাজিস্ট্রেটকে আটক করা হয়নি; বরং পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। তিনি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করতে সেখানে গিয়েছিলেন। সিটি করপোরেশনের একটি দল হকার উচ্ছেদে অভিযান চালাচ্ছিল।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ওসি বলেন, পাকার মাথা এলাকায় একটি ফলের দোকানে জরিমানা করেছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট। তবে জরিমানার রসিদ দিতে দেরি হওয়ায় দোকানির সঙ্গে তার বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সেখানে লোকজন জড়ো হন। পরে পুলিশের একটি দল গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।

তিনি আরও বলেন, পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ম্যাজিস্ট্রেট চলে যান। বিকেলেই তিনি চলে গেছেন। পুরো মোবাইল কোর্টের দলই সেখানে উপস্থিত ছিল।

ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি খালিদ মুনসুর বলেন, এ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। জরিমানার রসিদ দিতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করেই মূলত বাগবিতণ্ডা হয়েছিল। সময়মতো রসিদ দিতে না পারায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কেন উপস্থিত ছিলেন না, এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, অভিযানটি প্রথমে পূর্ব থানা এলাকায় পরিচালিত হয়েছিল। সেখানে পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় অভিযান শুরু করার সময় আমাদের অবহিত করা হয়নি। হয়তো অবহিত করতো।

source: Asia Post

Back to top button