News

বগুড়ায় সারের হিসাবে গরমিল দুই ডিলারকে জরিমানা

বগুড়া সদর উপজেলায় কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) দুটি গোডাউনে মজুত সারের হিসাবে গরমিল পাওয়ায় দুই ডিলারকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো মেসার্স এস আর এগ্রো ও সোনালী ট্রেডার্স।

রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে সদরের সাবগ্রাম ও রাতে কলোনী এলাকায় ডিলারদের গুদামে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়। পৃথক অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল ওয়াজেদ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমাদ।

অভিযানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলাশ চন্দ্র সরকার, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইসমত জাহান ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, মেসার্স এস আর এগ্রো ও সোনালী ট্রেডার্স বগুড়া বিএডিসি থেকে ৩৭৬ বস্তা করে ডিএপি সার উত্তোলন করেছিল। তবে গুদামে থাকা সারের মজুতের সঙ্গে হিসাবের গরমিল পাওয়া যায়।

অভিযানে দুই ডিলারই মজুতে গরমিলের বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পৃথক অভিযানে উভয় ডিলারকে ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। একই সঙ্গে দুই কর্মদিবসের মধ্যে ৩৭৬ বস্তা করে ডিএপি সার মজুত দেখিয়ে হিসাব ঠিক করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিকেলে সাবগ্রাম এলাকায় মেসার্স এস আর এগ্রোতে অভিযান শেষে বগুড়া সদর ইউএনও আবদুল ওয়াজেদ বলেন, ডিলার নিশ্চিত নন যে তার মজুত ঠিক আছে কি না। মজুত এলোমেলো অবস্থায় রয়েছে। আগামী দুই কর্মদিবসের মধ্যে মজুত ঠিক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মজুত ঠিক না থাকায় তাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অপরদিকে, রাতে কলোনীতে সোনালী ট্রেডার্সে অভিযান শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমাদ বলেন, তারা নিয়মিত মনিটরিং করছেন। ৩৭৬ বস্তা সার উত্তোলন করা হলেও ১৭৬ বস্তার হদিস মিলছে না। এ কারণে ডিলারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার ডিলারশিপের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

বগুড়া সদর ইউএনও ইসমত জাহান বলেন, তাদের নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর সার ও বীজ মনিটরিং কমিটিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে জেলা কমিটির কাছেও ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করা হবে।

source: Asia Post

Back to top button