আবারও গণভোট করবে সরকার

সংবিধানের মৌলিক কোনো সংশোধন আনা হলে তা গণভোটের মাধ্যমে চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) কমিটির পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের লক্ষ্যে ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও মতবিনিময় করা হয়েছিল। এসব আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে প্রণয়ন করা হয় জুলাই জাতীয় সনদ।
তবে বামপন্থী চারটি দল এতে সই করেনি। ফলে ৩০টি দল ও জোটের মধ্যে ২৬টি দল ও জোট সনদে সই করে। স্বাক্ষরকারী এসব দলের মধ্যে বর্তমানে আটটি ১১-দলীয় ঐক্যের সঙ্গে রয়েছে।
জুলাই সনদের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে ৪৮টি সংবিধান–সম্পর্কিত। এগুলো বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ জারি করেছিল। সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে সংস্কার প্রস্তাবগুলো নিয়ে গণভোট হয়।
এতে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় ওই আদেশ অনুসারে ত্রয়োদশ সংসদের সদস্যদের নিয়ে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন এবং ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধান সংস্কার কাজ শেষ করার কথা।
তবে বিএনপি সরকার গঠনের পর সংস্কার পরিষদ গঠন করেনি। দলটির সদস্যরাও সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। এর পর গত ১৩ জুলাই জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে সভাপতি করে ১২ সদস্যের ‘সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি’ গঠন করা হয়।
কমিটিতে বিরোধী দল থেকে পাঁচজন প্রতিনিধি রাখার কথা থাকলেও তারা কোনো নাম দেয়নি। পরে বিরোধী দল ওই কমিটিও প্রত্যাখ্যান করে।
source: Asia Post







