News

বাবরকে না জানিয়েই পাকিস্তান দলে ওলটপালট

সাত ক্রিকেটারকে দেশে ফেরানো হয়েছে। সরিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রধান কোচ ও বোলিং কোচকেও। ইংল্যান্ড সফরের মাঝপথে পাকিস্তান দলে এত বড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মতামতই চাওয়া হয়নি অধিনায়ক বাবর আজমের। সিদ্ধান্ত হওয়ার পর বিষয়টি জেনেছেন তিনি।

এজবাস্টনে তৃতীয় টেস্টের আগে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে বাবরকে প্রশ্ন করা হয়, এসব পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে তাঁর ভূমিকা ছিল কি না। পাকিস্তান অধিনায়ক বলেন, ‘আমিও পরে জেনেছি। সিদ্ধান্তটা পিসিবির। আমার মনে হয়, তারাই এর ভালো ব্যাখ্যা দিতে পারবে।’

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই টেস্টে বড় হারের পরই দলে ব্যাপক পরিবর্তন আনে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। হেডিংলিতে প্রথম ম্যাচে ইনিংস ও ১০৩ রানে হারের পর লর্ডসে পরাজয় ১৯৪ রানে। চার ইনিংসের কোনোটিতেই ২০০ রান পেরোতে পারেনি পাকিস্তান।

এরপর দল থেকে বাদ দেওয়া হয় মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইমাম-উল-হক, সালমান আলী আগা, আলী উসমান, আমির জামাল, মোহাম্মদ আওয়াইস জাফর ও খুররম শাহজাদকে। তাদের জায়গায় সাইম আইয়ুব, আবদুল্লাহ ফজল ও আরাফাত মিনহাসসহ সাতজনকে নেওয়া হয়।

কোচিং দলেও আসে পরিবর্তন। প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকে সরিয়ে শেষ টেস্টের দায়িত্ব দেওয়া হয় সাদা বলের দলের কোচ মাইক হেসন ও অ্যাশলি নফকেকে।

এত পরিবর্তনে বিস্মিত হলেও নতুনদের জন্য সুযোগ দেখছেন বাবর। সিরিজ হারানোর হতাশা পেছনে ফেলে সতীর্থদের স্বাধীনভাবে খেলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বাবর বলেন, ‘সিরিজ হেরে গেছি, কিন্তু আমাদের হারানোর কিছু নেই। স্বাধীনভাবে খেলতে হবে এবং দল হিসেবে নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে।’ নতুন ক্রিকেটারদের অনুশীলনে যে উৎসাহ দেখছেন, ম্যাচেও তার প্রতিফলন দেখতে চান পাকিস্তান অধিনায়ক।

প্রথম দুই টেস্টের দল নির্বাচনকে অবশ্য সমর্থন করেছেন বাবর। তার ব্যাখ্যা, পিচ ও কন্ডিশন বিবেচনায় তখন যেটিকে সেরা সমন্বয় মনে হয়েছিল, সেটিই বেছে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে দল হিসেবে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স আসেনি।

শেষ টেস্টের জন্য প্রাথমিকভাবে ১২ জনকে বেছে রাখার কথাও জানিয়েছেন তিনি। এজবাস্টনের কন্ডিশন দেখে চূড়ান্ত একাদশ ঠিক করবে পাকিস্তান।

source: Asia Post

Back to top button