News

ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে তথ্য নেই: জয়সওয়াল

ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) নয়া দিল্লিতে নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়া দিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন হওয়ার কথা। সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ আগেও জানিয়েছিল ভারত। পরে বিমসটেক সম্মেলনে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। গত ১৪ আগস্ট এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছিলেন জয়সওয়াল।

শুক্রবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক জানতে চান— ব্রিকস সম্মেলন নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের কোনো যোগাযোগ হয়েছে কি না; তারেক রহমান সম্মেলনে যোগ দেবেন কি না এবং তিনি না গেলে তার পরিবর্তে অন্য কেউ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন কি না।

জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য তার জানা নেই।

ওই সাংবাদিক আরও জানতে চান, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন। ‘সময়টাও বেশ ইন্টারেস্টিং’ উল্লেখ করে তার বিষয়ে কোনো হালনাগাদ তথ্য আছে কি না, জানতে চান তিনি।

জবাবে জয়সওয়াল বলেন, এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কিছু বলার নেই।

আরেক সাংবাদিক জানতে চান, শেখ হাসিনা সম্প্রতি একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ডিসেম্বরে দেশে ফেরার বিষয়ে বর্তমান সরকারের সঙ্গে কোনো ব্যাক চ্যানেল আলোচনা চলছে না। দেশে ফিরে তিনি ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা চান বলেও জানিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি ভারত সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা করছেন কি না, জানতে চান ওই সাংবাদিক।

জয়সওয়াল বলেন, এ বিষয়েও তার কিছু জানা নেই।

এর আগে গত ৫ আগস্ট দিল্লিতে ফরেন করেসপন্ডেন্ট ক্লাবে (এফসিসি) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বক্তব্য দেওয়ার পর এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল ঢাকা।

৫ আগস্টের পর সম্প্রতি এফসিসিতে অন্য একটি আন্তর্জাতিক আলোচনা সভার অনুমতি দিল্লি পুলিশ অবশ্য দেয়নি। সেই অনুষ্ঠানেও বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত একাধিক ব্যক্তির যোগদানের কথা ছিল।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আলোচনার মধ্যে দিল্লিকে দুটি শর্ত দিয়েছিল ঢাকা। সফরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভারতকে একটি ‘কূটনৈতিক অনুকূল পরিবেশ’ তৈরির কথাও জানানো হয়।

ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়, তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়ে সিদ্ধান্তের আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে হবে। পাশাপাশি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির হত্যার আসামিদেরও বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানানো হয়।

source: Rajneete

Back to top button