আসিফ মাহমুদের সময়ের ৩ তথ্য চেয়ে মন্ত্রণালয়কে দুদকের চিঠি

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি-বাণিজ্যের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দায়িত্ব পালনকালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে সম্পন্ন হওয়া সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি যাবতীয় তথ্য চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে দুদক। চিঠিতে চার ধরনের নথিপত্র তলব করেছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর পাঠানো চিঠির সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও উপপরিচালক মো. জাহিদ কালাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুসন্ধানের স্বার্থে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে নিম্নলিখিত নথি ও রেকর্ডপত্র চাওয়া হয়েছে।
যেসব রেকর্ডপত্র চেয়েছে দুদক
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দায়িত্ব পালনকালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন সম্পন্ন হওয়া সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি-সংক্রান্ত তথ্য এবং আনুষঙ্গিক রেকর্ডপত্র। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের স্মারক নম্বর-৪৬৬ (তারিখ: ০৭/০৫/২০২৫ খ্রি.) এবং স্মারক নম্বর-২৭৪ (তারিখ: ১৮/০৪/২০২৬ খ্রি.) মূলে বদলি-সংক্রান্ত নথির সত্যায়িত কপি চাওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া তিনটি স্মারকের মূলে ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব প্রদান, বাতিল ও পদায়ন-সংক্রান্ত নথির সত্যায়িত ছায়ালিপি চাওয়া হয়।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন মাঠপর্যায়ের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. গোলাম মোস্তফা, মামুন, জাহিদ, আমির (ঢাকা), আনিচ, জাহিদ ও ইব্রাহিম (বগুড়া), জুলহাস (বরিশাল), নজিমউদ্দিন, আলী হোসেন, আবু সাঈদ (পাবনা), কোরবান আলী (ধামরাই) এবং আলী হোসেনের (নরসিংদী) ব্যক্তিগত নথির কপি চাওয়া হয়েছে।
এর আগে বুধবার দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, সাবেক উপদেষ্টা, মন্ত্রণালয়ের সচিব, পদস্থ দুই কর্মকর্তাসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে গত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ সম্প্রতি জমা পড়ে দুদকে।
তিনি আরও জানান, দুদকের যাচাই-বাছাই কমিটি অভিযোগটি যাচাই করে। পরে অনুসন্ধানের সুপারিশ করে কমিশনে পেশ করে। কমিশন এটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। অনুসন্ধানের জন্য দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামকে প্রধান করে চার সদস্যের বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে।
source: Asia Post







