মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সুখবর

২০২৬–২০২৯ মেয়াদের আমদানি নীতিতে মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিবন্ধিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো ৫০০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্র ও যন্ত্রাংশ আমদানি করতে পারবে।
নতুন আমদানি নীতিতে সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় ১৬৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেল আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তবে এ বিধান থেকে পুলিশ বিভাগকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ফলে পুলিশের প্রয়োজনে ১৬৫ সিসির বেশি ক্ষমতার মোটরসাইকেল আমদানি করা যাবে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চার বছর মেয়াদি নতুন আমদানি নীতির গেজেট প্রকাশ করেছে।
এতে বলা হয় হয়েছে, ঋণপত্র বা এলসির পাশাপাশি এখন থেকে মূল্যসীমা ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানি করতে পারবেন শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আমদানিকারকেরা।
একই সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (ফ্রি ট্রেড জোন) ও সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউজ প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের শিল্পে বিনিয়োগের জন্য আমদানি সুবিধা এবং রপ্তানিমুখী শিল্পে কাঁচামাল আমদানির সুযোগও সম্প্রসারণ করা হয়েছে নতুন আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯-এ।
নতুন নীতিতে ফ্রি ট্রেড জোন প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে আমদানি ব্যবস্থাপনায় বন্ডেড ওয়্যারহাউজ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে আমদানি-নির্ভর শিল্প ও রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঁচামাল ও উপকরণ ব্যবস্থাপনা আরও সহজ করার সুযোগ তৈরি হবে।
এ ছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের শিল্পে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমদানি সুবিধা এবং রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল আমদানির সুযোগ সম্প্রসারণ করা হয়েছে। নতুন নীতিতে আমদানি ব্যবস্থাপনাকে আরও সহজ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
source: Asia Post







